নিউজপলিটিক্স

“ত্রিপুরা দখল তৃণমূলের অলীক স্বপ্ন‌ই থেকে যাবে।”- এবার সুর চড়ালো ত্রিপুরা বিজেপি।

নিজস্ব প্রতিবেদন: ত্রিপুরা ইস্যুতে যথেষ্ট উত্তপ্ত হয়ে রয়েছে ত্রিপুরা এবং বাংলার রাজনৈতিক পরিস্থিতি। গতকাল সাংবাদিক বৈঠক করে ত্রিপুরার মাটিতে তৃণমূল কর্মীদের উপর হামলার ঘটনা সহ বিভিন্ন অভিযোগের জবাব দিয়েছে ত্রিপুরা বিজেপি। ত্রিপুরার বিজেপি বিধায়ক সুশান্ত চৌধুরী গতকাল একটি সাংবাদিক বৈঠকের আয়োজন করেছিলেন। উক্ত বৈঠকে তিনি সরাসরি অভিযোগ করেছেন যে ত্রিপুরার মাটিতে যে সমস্ত হিংসাত্মক পরিস্থিতির অভিযোগ করেছে তৃণমূল সেই সমস্ত অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা।

সুশান্ত চৌধুরী অভিযোগ করেছেন যে, শান্ত ত্রিপুরাকে অশান্ত করার উদ্দেশ্যে তৃণমূল কংগ্রেস এই ধরনের কান্ড কালাপ করে চলেছে। তৃণমূল নেতারা অভিযোগ করেছেন যে “বিজেপি যেহেতু বুঝতে পারছে যে আগামী বিধানসভা নির্বাচনে ত্রিপুরায় তাদের বিদায় ঘন্টা বেজে গিয়েছে, সেহেতু তারা ভয় দেখিয়ে, মারধর করে তৃণমূল নেতাদের দাবিয়ে রাখতে চাইছে।”এই অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে বিজেপি বিধায়ক সুশান্ত চৌধুরী বলেছেন যে,”তৃণমূল কংগ্রেসের ত্রিপুরা দখলের দাবি শুধুমাত্র অলীক কল্পনা ছাড়া আর কিছু নয়। এর আগেও মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ত্রিপুরার মাটিতে হাজির হয়েছিলেন।

আরও পড়ুন-“যে রাজ্যে আইনজীবীরা কোর্টে আসতে পারেন না, সেই রাজ্যে গণতন্ত্র থাকতে পারে না”- ক্ষোভে সোচ্চার হয়ে বললেন কুনাল ঘোষ

লক্ষ লক্ষ মানুষ নিয়ে তিনি সমাবেশ করেছিলেন ত্রিপুরার মাটিতে। আসলে ৬% ভোট অর্জন করে তৃণমূলকে সর্বভারতীয় তকমা পাইয়ে দেওয়ার লক্ষ্যে তিনি ত্রিপুরার মাটিতে উপস্থিত হয়েছিলেন।”এছাড়াও দেবাংশু ভট্টাচার্য দের উপর আক্রমণের প্রসঙ্গে সুশান্ত চৌধুরী বলেছেন যে,”কোন তৃণমূল নেতাকে মারধর করা হয়নি, তাদের কোনো আঘাত লাগেনি। ‌ বিভ্রান্তিকর তথ্য পেশ করছে তৃণমূল কংগ্রেস।

আরও পড়ুন-“রাজীবকে বহিষ্কার করার খবর ভুয়ো”- জানালো রাজ্য বিজেপি

এদিকে দেবাংশু বলেছে যে তার মাথার পিছনে মারা হয়েছে , এদিকে নেতাদের ব্যান্ডেজ করা হয়েছে মাথার সামনের দিকে। একটা সুস্পষ্ট নাটক চলছে সেটা সম্পূর্ণ ভালোভাবে বোঝা যাচ্ছে। কলকাতা এসএসকেএম হাসপাতালে গিয়ে সেই নাটকটি আরো ভালোভাবে মঞ্চস্থ করা হচ্ছে। ত্রিপুরার মানুষ সহজ-সরল হতে পারে কিন্তু তাদেরকে বোকা বানানো খুবই শক্ত।

বিগত ১৯৯৮ সাল থেকেই ত্রিপুরার মাটিতে অস্তিত্ব রয়েছে তৃণমূলের। কিন্তু তাঁরা কোনোরকম তৎপরতা দেখায়নি সিপিএম সরকারকে উচ্ছেদ করার। আর ত্রিপুরার জনগণ তৃণমূলকে কখনোই সমর্থন জানায় নি।”

Related Articles

Back to top button