“শিশির অধিকারী এবং সুনীল মন্ডলের অবস্থান জানতে পাঠানো হয়েছে নোটিশ”- জানালেন লোকসভার অধ্যক্ষ।

“শিশির অধিকারী এবং সুনীল মন্ডলের অবস্থান জানতে পাঠানো হয়েছে নোটিশ”- জানালেন লোকসভার অধ্যক্ষ।

নিজস্ব প্রতিবেদন: তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগদান করেছিলেন একদা তৃণমূলের সবথেকে ভরসাযোগ্য সেনাপতি শুভেন্দু অধিকারী। তার পিতা শিশির অধিকারী আনুষ্ঠানিকভাবে বিজেপিতে যোগদান না করলেও গত ২১ শে মার্চ এগরার অমিত শাহের সভায় তিনি উপস্থিত ছিলেন মঞ্চে এবং তারপরেই কাঁথি তে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির জনসভায় তিনি উপস্থিত হয়েছিলেন। শিশির অধিকারী প্রসঙ্গে বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেছিলেন, “উনারা আমাদের দলে যোগদান করেছেন বলে সে রকম কিছু আমার জানা নেই।

উনারা শুধুমাত্র আমাদের সমর্থন করেছেন।”এদিকে শিশির অধিকারী এবং সুনীল মণ্ডল এর বিরুদ্ধে দলত্যাগ বিরোধী আইন লাগু করার জন্য লোকসভার স্পিকারের কাছে আবেদন জানিয়েছে তৃণমূল। লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা জানিয়েছেন যে শিশির অধিকারী এবং সুনীল মণ্ডল কে নোটিশ পাঠানো হয়েছে।লোকসভার তৃণমূল দলের নেতা সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় এই মর্মে চিঠি দিয়েছেন লোকসভার স্পিকার কে।

আরও পড়ুন-“পুরনো চাল ভাতে বাড়ে।”- হেরে যাওয়ার পর বুঝতে পারলেন বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতারা।

সুনীল মণ্ডল এবং শিশির অধিকারীর বিরুদ্ধে দলত্যাগ বিরোধী আইন অবিলম্বে লাগু করার জন্য লোকসভার স্পিকার কে চিঠি দিয়েছেন তিনি। প্রসঙ্গত মুকুল রায়ের তৃণমূলের প্রত্যাবর্তনের পর থেকেই শুভেন্দু অধিকারী বারবার মুকুল রায়ের বিরুদ্ধে দলত্যাগ বিরোধী আইন বলবৎ করার পক্ষে সওয়াল করে আসছেন।লোকসভার স্পিকার কে চিঠি দিয়ে সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, “স্পিকার একটি কমিটি গঠন করতে পারেন।

আরও পড়ুন-৪৮ ঘন্টার মধ্যে আবার দিল্লিতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সাথে দেখা করলেন রাজ্যপাল

যদি তার হাতে যথেষ্ট তথ্য-প্রমাণ তুলে দেওয়া হয় তাহলে তিনি এই বিষয় সর্ম্পকে বিবেচনা করবেন বলে জানিয়েছেন।”লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা বলেছেন , “সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় , শিশির অধিকারী এবং সুনীল মণ্ডল এর বিরুদ্ধে দলত্যাগ বিরোধী আইন লাগু করার জন্য আবেদন করেছেন। আমি উক্ত দুই সাংসদের অবস্থান জানার জন্য নোটিশ পাঠিয়েছি ।

তাদের উত্তর পাঠানো হবে কমিটিতে। তারপরেই তাদের জবাব খতিয়ে দেখে কমিটি আমার কাছে রিপোর্ট দেবে। কমিটির রিপোর্টের পরিপ্রেক্ষিতে আমি ব্যবস্থা গ্রহণ করব।”