“যারা ঝামেলা পাকাচ্ছেন তারা কেউই বিজেপির সক্রিয় কর্মী নন।”- দলের অভ্যন্তরে অন্তর্কলহ নিয়ে উবাচ দিলীপ ঘোষের।

“যারা ঝামেলা পাকাচ্ছেন তারা কেউই বিজেপির সক্রিয় কর্মী নন।”- দলের অভ্যন্তরে অন্তর্কলহ নিয়ে উবাচ দিলীপ ঘোষের।

নিজস্ব প্রতিবেদন: মুকুল রায় তৃণমূলে প্রত্যাবর্তন করার পরেই বিজেপি শিবিরে দেখা দিয়েছে অন্তর্কলহ। মুকুল রায়ের পথে পা বাড়িয়ে রয়েছেন রাজীব বন্দোপাধ্যায় সহ বিজেপির আরো নেতারা। মুকুল রায় নিজে বলেছেন যে তার সাথে বহু বিজেপি নেতারা যোগাযোগ করছেন তৃণমূলে আসবে বলে। এদিকে বিজেপি নেতা সুনীল মন্ডল কয়েকদিন আগেই বলেছিলেন, “তৃণমূল থেকে যারা বিজেপিতে এসেছেন তাদের সাথে বিজেপি মানিয়ে নিতে পারছে না।

তাদেরকে কিছুতেই সহ্য করতে পারছেনা বিজেপির আদি নেতারা।” তবে সুনীল মণ্ডল এবং রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় এর তৃণমূলে ফেরার ইচ্ছা থাকলেও এই দুই দলবদলুকে কিছুতেই ফিরিয়ে নিতে রাজী নয় তৃণমূল কর্মী সমর্থকরা।এদিকে মুকুল রায় তৃণমূল প্রত্যাবর্তন করার পর থেকেই নির্বাচনী বিপর্যয় এর পরিপ্রেক্ষিতে রাজ্য নেতৃত্ব এবং কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগড়ে দিয়েছেন রাজ্যের বিজেপি কর্মী সমর্থকরা।

আরও পড়ুন-নন্দীগ্রাম মামলায় জয় হবে কার? হাইকোর্টের রায়ের দিকে তাকিয়ে সকলেই।

অনেকেই বলেছেন, নির্বাচনী প্রচারে হিন্দিভাষী নেতাদের আধিপত্য ভালোভাবে নেয়নি বাংলার মানুষ জন। এই ভোটে রাজ্যের অভিজ্ঞ বিজেপি নেতাদের বসিয়ে রেখে হিন্দিভাষী নেতারা তাদের রমরমা জারি রেখেছিলেন যার জন্য বিজেপির ভরাডুবি হয়েছে বলে মনে করছেন বিজেপির বহু কর্মী-সমর্থক। আবার ভোট পরবর্তী হিংসার শিকার হলেও সেইসমস্ত বিজেপি কর্মী সমর্থকদের নিরাপত্তাজনিত কোনো ব্যবস্থা বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব করছে না বলে ক্ষোভপ্রকাশ করছেন বহু বিজেপি অনুগামী।

আরও পড়ুন-“টিএমসি সেটিং মাস্টার”- কৈলাস বিজয়বর্গীয়র বিরুদ্ধে পোস্টার দলের‌ই কর্মী সমর্থকদের।

অনেক জায়গাতেই বিজেপি ছেড়ে হাজার হাজার কর্মী সমর্থকরা তৃণমূলে আবার নাম লেখাচ্ছে। ভোট পরবর্তী হিংসার পরিপ্রেক্ষিতে দিলীপ ঘোষ বলেছেন, “রাজ্যের মাটিতে যে ভোট পরবর্তী হিংসার ঘটনা ঘটেছে তা সকলেই দেখেছে। বহু বিজেপি কর্মীরা বাড়িছাড়া ছিলেন। পুলিশ প্রশাসন কিছুটা সহযোগীতা করেছে তাদের ফেরানোর জন্য।”

এছাড়াও বিজেপির অন্তর্কলহ প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ বলেছেন , “বিজেপির মধ্যে বর্তমানে কোন রকম অন্তর্কলহের স্থান নেই। কোন বিষয় নিয়েই নেতাকর্মীদের মধ্যে মতবিরোধ নেই। আমরা নির্বাচনে হেরে গেলেও যথেষ্ট ভাল ফলাফল হয়েছে। বর্তমানে যারা কলহ করতে চাইছেন বা করছেন তারা কেউ বিজেপির সক্রিয় কর্মী নন।”