“মাতৃবিয়োগে খোঁজ নেননি কোনো রাজ্যস্তরের বিজেপি নেতা।”- অভিমানী বিজেপি নেতা প্রবীর ঘোষাল।

“মাতৃবিয়োগে খোঁজ নেননি কোনো রাজ্যস্তরের বিজেপি নেতা।”- অভিমানী বিজেপি নেতা প্রবীর ঘোষাল।

নিজস্ব প্রতিবেদন: একুশের ভোটের আগে রাজ্যে পালাবদলের ইঙ্গিত পেয়ে তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে আশ্রয় নিয়েছিলেন বেশ কিছু তৃণমূল নেতা নেত্রীরা। তারাই আবার তৃণমূলের জয়লাভের পর ১৮০ ডিগ্রি ঘুরে গিয়ে তৃণমূলে ফিরতে চাইছেন। দলবদলু বেশ কিছু নেতা নেত্রীরা আবার বিজেপির ছত্রছায়া ছেড়ে তৃণমূলে ফিরতে মরিয়া হয়ে উঠেছেন ‌।

তৃণমূলের ফিরেছে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কে চিঠি লিখেছেন প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক সোনালী গুহ, প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক দীপেন্দু বিশ্বাস সহ আরো বেশ কয়েকজন বিজেপি নেতা নেত্রীরা। এদিকে বিজেপি নেতা তথা একসময়ের দাপুটে তৃণমূল নেতা মুকুল রায়ের অবস্থান নিয়েও যথেষ্ট চিন্তিত বিজেপি। বিজেপি নেতাদের প্রতি অভিমান প্রকাশ করছেন দলের‌ই বহু নেতা কর্মীরা।

আরও পড়ুন-“অবসরপ্রাপ্ত আমলাদের পুনর্নিয়োগের বাধ্যতামূলক হবে ভিজিল্যান্সের ছাড়পত্র।”- জারি হল নির্দেশিকা।

আর এই সুযোগটাকেই কাজে লাগাতে চাইছে তৃণমূল। বেসুরো মুকুল রায়ের স্ত্রীকে দেখতে হাসপাতালে গিয়েছিলেন অভিষেক। এই পরিস্থিতিতে এবার বেসুরো বিজেপি নেতা প্রবীর ঘোষাল। প্রবীর ঘোষালের মাতৃবিয়োগ ঘটেছে, কিন্তু বিজেপির কোনো রাজ্যস্তরের নেতা তাঁর খোঁজ নেননি। এই অভিমানে ক্ষোভপ্রকাশ করেছেন প্রবীর ঘোষাল।
তিনি বলেছেন, “আমার খানিকটা অভিমান‌ও হচ্ছে।

আরও পড়ুন-দলীয় কর্মীদের উপর আক্রমণ করে চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যের প্রশংসা করায় তথাগতকে জবাব দিলীপ ঘোষের।

আমি দেখেছি, আমার মাতৃবিয়োগের কয়েক ঘন্টার মধ্যেই এই এলাকার তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়, বিধায়ক কাঞ্চন মল্লিক আমাকে সমবেদনা জানিয়েছেন, সহানুভূতি জানিয়েছেন। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় খবর পাওয়ার পর শোকবার্তা পাঠিয়েছেন। স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্ব আমাকে সহানুভূতি জানিয়েছেন। কিন্তু তার বাইরে রাজ্যস্তরের বিজেপির কোনো নেতা আমাকে সহানুভূতি জানাননি। তৃণমূলের কাউকে আমি খবর দিইনি, তাঁরা নিজেরাই খবর পেয়ে আমার সাথে যোগাযোগ করেছেন।”