“যত‌ই চেষ্টা করা হোক, বাংলা কখনো ভাগ হবে না।”- সোচ্চার হলেন তৃণমূল বিধায়ক রাজ চক্রবর্তী।

“যত‌ই চেষ্টা করা হোক, বাংলা কখনো ভাগ হবে না।”- সোচ্চার হলেন তৃণমূল বিধায়ক রাজ চক্রবর্তী।

নিজস্ব প্রতিবেদন: সম্প্রতি আলিপুরদুয়ারের বিজেপি সাংসদ জন বারলার উত্তর বঙ্গ বিভাজন এর মন্তব্য কে ঘিরে যথেষ্ট উত্তাল হয়েছে রাজ্য রাজনীতি। জন বারলা বলেছেন যে রাজ্য সরকার উত্তরবঙ্গ কে বঞ্চনা দিয়ে আসছে। তাই উত্তরবঙ্গ কে আলাদা রাজ্য রূপে গড়ে তুললে উত্তরবঙ্গের মানুষ সুখ-সমৃদ্ধির দেখা পাবেন। এই আবহে যথেষ্ট চাঞ্চল্য দেখা দিয়েছে বাংলা রাজ্য রাজনীতিতে।

‌ বিজেপির নেতারা জন বারলার এই দাবী সমর্থন না করলেও তাঁরা সকলেই একমত যে তৃণমূল সরকার উত্তরবঙ্গের মানুষের সাথে কেবলমাত্র বঞ্চনাই করে এসেছে।জন বারলার এই মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে তার বিরুদ্ধে দিনহাটা থানায় অভিযোগ দায়ের করেছে তৃণমূল। জনের এই মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে মুখে কুলুপ এঁটে রয়েছে বিজেপিও। এই আবহে ঠিক এরকমই একটি মন্তব্য করে বিজেপির অস্বস্তির আগুনে ঘি ঢেলেছেন বিজেপি সাংসদ সৌমিত্র খাঁ।

আরও পড়ুন-“বিজেপির সংকীর্ণ রাজনীতি বাংলায় বিপর্যয় ডেকে আনবে।”- উত্তরবঙ্গ বিভাজনের মন্তব্যের বিরুদ্ধে সরব অধীর চৌধুরী।

জন বারলার মতো তিনিও এবার রাঢ়বঙ্গকে ভেঙে আলাদা রাজ্যের প্রসঙ্গ উত্থাপন করেছেন। তিনি বলেছেন,”আগামী দিনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রধানমন্ত্রী হওয়ার স্বপ্নে বিভোর হয়ে রয়েছেন। তিনি পশ্চিমবঙ্গ কে ভেঙে আরেকটি বাংলাদেশ তৈরি করার প্রচেষ্টায় রয়েছেন। আমরাও এবার রাঢ়বঙ্গকে ভেঙে আলাদা একটা রাজ্য গঠনের দাবী উত্থাপন করবো।

বাঁকুড়া, জঙ্গলমহল, পুরুলিয়া নিয়ে আলাদা রাঢ়বঙ্গ গঠিত হবে। মুখ্যমন্ত্রী দিল্লি নেতাদের বারবার বহিরাগত বলেছেন। তেমনি উত্তরবঙ্গ আর রাঢ়বঙ্গের মানুষজন মুখ্যমন্ত্রীকে বহিরাগত বলতেই পারে। তিনি রাঢ়বঙ্গের জন্যেও কিছু করেননি এবং উত্তরবঙ্গের জন্য‌ও কিছু করেননি।”

আরও পড়ুন-“রাজ্য কেন প্রত্যাহার করেছে নিরাপত্তা?”- জানতে চেয়ে হাইকোর্টের দ্বারস্থ শুভেন্দু অধিকারী।

এবার এই প্রসঙ্গে তৃণমূল বিধায়ক রাজ চক্রবর্তী বলেছেন, “বাংলা ভাগ করা ওত সহজ নয়। বিজেপি যত‌ই চেষ্টা করুক। বাংলা কখনোই ভাগ হবেনা। আমাদের মুখ্যমন্ত্রীর নাম মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, আমাদের জননেত্রীর নাম মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আমরা কিছুতেই বাংলা ভাগ করতে দেবো না ।

শুধুমাত্র শিল্পীরা নন, বাংলার আপামর মানুষ বাংলা ভাগের এই মন্তব্যকে যথেষ্ট নিন্দাজনক বলে মনে করছেন। আমরা কখনই আমাদের বাংলাকে ভাগ করতে দেবো না। বাংলা ভাগ করার এই ভাবনাকে আমরা সকলেই ধিক্কার জানাচ্ছি।”