দেশের একমাত্র এই আয়ুর্বেদ হাসপাতালে মারা যাননি কোনো করোনা রোগী।

দেশের একমাত্র এই আয়ুর্বেদ হাসপাতালে মারা যাননি কোনো করোনা রোগী।

নিজস্ব প্রতিবেদন: সারা দেশ করোনা জ্বরে কাবু। মৃত্যু হচ্ছে একের পর এক মানুষের। এখনো পর্যন্ত সারা দেশে করোনার গ্রাসে পড়েছেন মোট ২ কোটি ৮৬ লক্ষ ৯৪ হাজার ৮৭৯ জন। মৃত্যু হয়েছে ৩ লক্ষ ৪৪ হাজার ১০১ জনের। সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ২ কোটি ৬৭ লক্ষ ৯৫ হাজার ৫৪৯ জন। সারা ভারত জুড়ে এখনো অর্ধেক মানুষকেও টীকা দেওয়া সম্ভব হয়নি। মূলত অ্যালোপ্যাথি চিকিৎসার দ্বারা করোনা রোগীদের শুশ্রূষা করা হচ্ছে।

চিকিৎসকরা নিজেদের জীবন বিপন্ন করে তাদের কর্তব্য অবিচল হয়ে রয়েছেন। মূলত অ্যালোপ্যাথিক চিকিৎসা যথেষ্ট ব্যায়বহুল হয়ে দাঁড়িয়েছে। তবে বর্তমানে মানুষজন করোনা চিকিৎসায় অ্যালোপ্যাথির উপরেই নির্ভর করছেন অধিক।কিন্তু এরই মধ্যে জানা গিয়েছে এমন এক আয়ুর্বেদিক হাসপাতালে কথা যে হাসপাতালে এখনো পর্যন্ত মারা যাননি একটাও করোনা রোগী। যে ওই হাসপাতালে গিয়েছেন করোনা আক্রান্ত হয়ে , তাঁরাই সুস্থ্য হয়ে ফিরে এসেছেন।

আরও পড়ুন-“অবসরপ্রাপ্ত আমলাদের পুনর্নিয়োগের বাধ্যতামূলক হবে ভিজিল্যান্সের ছাড়পত্র।”- জারি হল নির্দেশিকা।

যেখানে বর্তমানে অনেকেই অ্যালোপ্যাথি চিকিৎসার উপর অধিক গুরুত্ব আরোপ করছেন, সেখানে দেশের এই আয়ুর্বেদিক হাসপাতাল একের পর এক করোনা রোগীদের সারিয়ে রীতিমতো নজির স্থাপন করেছে।২০১৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিলো এই অল ইন্ডিয়া ইনস্টিটিউট অফ আয়ুর্বেদ হাসপাতাল। এখানে আয়ুর্বেদিক উপায়ে করোনা রোগীদের সুস্থ করে তোলা হচ্ছে। তবে এখনো পর্যন্ত ভারতের বহু মানুষ আয়ুর্বেদ এর উপরে চোখ বুজে ভরসা করেন।

আরও পড়ুন-খোলা বাজারে বিক্রি করা যাবে না ব্ল্যাক ছত্রাকের ইনজেকশন।

প্রাচীনকাল থেকেই ভারত আয়ুর্বেদে অত্যন্ত সমৃদ্ধ। ভারতে প্রাপ্ত বিভিন্ন ভেষজ উদ্ভিদ আয়ুর্বেদ চিকিৎসাকে আরও ত্বরান্বিত করেছে। ভারতের এই হাসপাতালে বেডের সংখ্যা যথেষ্ট কম। বর্তমানে এই হাসপাতালে রয়েছেন মোট ৪৫ জন চিকিৎসক তার মধ্যে ৫ জন মাত্র অ্যালোপ্যাথিক চিকিৎসক, বাকি ৪০ জন আয়ুর্বেদিক চিকিৎসক। এই হাসপাতালে এখনো পর্যন্ত দুই সপ্তাহের মধ্যেই ৬০০ জন করোনা রোগীকে সুস্থ্য করে তোলা হয়েছে। জানা গিয়েছে এই হাসপাতাল রয়েছে দিল্লিতে।