বিনামূল্যে টীকা নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে ফোন করলেন নবীন পট্টনায়ক। চিঠি দিলেন কেরলের মুখ্যমন্ত্রী বিজয়ন‌ও।

বিনামূল্যে টীকা নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে ফোন করলেন নবীন পট্টনায়ক। চিঠি দিলেন কেরলের মুখ্যমন্ত্রী বিজয়ন‌ও।

নিজস্ব প্রতিবেদন: সারা রাজ্য জুড়ে রীতিমতো ভয়াবহ পরিস্থিতির সৃষ্টি করেছে করোনা ভাইরাস। তবে গত কয়েকদিন ধরেই দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা কিছুটা হলেও কমেছে বলে জানা গিয়েছে। এখনো পর্যন্ত বাংলায় করোনা আক্রান্ত হয়েছেন মোট ১৩ লক্ষ ৯৪ হাজার ৭২৪ জন। মৃত্যু হয়েছে ১৫ হাজার ৮১৩ জনের। সুস্থ্য হয়েছেন ১৩ লক্ষ ৮ হাজার ৮৯৬ জন। গত ২৪ ঘন্টায় আক্রান্ত হয়েছেন ৮,৯২৩ জন। গত ২৪ ঘন্টায় মৃত্যু হয়েছে ১৩৫ জনের। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় গত সোমবার বলেছেন যে, “সারা ভারতের মধ্যে এখনো টীকা দেওয়ায় শীর্ষস্থানে রয়েছে পশ্চিমবঙ্গ।

এখনো পর্যন্ত পশ্চিমবঙ্গের ১ কোটি ৪১ লক্ষ মানুষকে ভ্যাকসিন দেওয়া হয়েছে। ভ্যাকসিনের প্রথম ডোজ দেওয়া হয়েছে ১.১ কোটি মানুষকে এবং দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া হয়েছে ৪০ লক্ষ মানুষকে। ১১৪ কোটি টাকা খরচ করে মে মাসে ১৮ লক্ষ এবং জুন মাসে আরো ২২ লক্ষ ডোজ কিনেছে রাজ্য।“রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আবার দাবি তুলেছেন যে কেন্দ্রীয় সরকার টিকা কিনে নিয়ে সমস্ত রাজ্যকে বিনামূল্যে ভ্যাকসিন দিক।

আরও পড়ুন-রাজ্যে অনেকটাই কমলো করোনার দৈনিক সংক্রমণের হার।

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশে রয়েছেন ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী নবীন পট্টনায়েক থেকে শুরু করে কেরালার মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়ন এবং আরো অবিজেপি শাসিত রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীরা। গতকাল নবান্নের সাংবাদিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন, ‘ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী নবীন পট্টনায়ক আমাকে ফোন করেছিলেন। উনিও চাইছেন কেন্দ্রীয় সরকার রাজ্যগুলিকে বিনামূল্যে ভ্যাকসিন প্রদান করুক।

আরও পড়ুন-তহবিলের টাকায় অক্সিজেন প্ল্যান্ট তৈরি করতে চেয়ে আবার মুখ্যমন্ত্রী কে চিঠি লিখলেন অধীর চৌধুরী।

এক্ষেত্রে রাজ্য সরকার গুলিকে কেন ভ্যাকসিন কিনতে বলা হচ্ছে? প্রতিটি রাজ্যকে বিনামূল্যে টিকা প্রদান করা উচিত কেন্দ্রীয় সরকারের। এই মর্মে কেরলের মুখ্যমন্ত্রী চিঠি দিয়েছেন আমাকে। আমরা চাই কেন্দ্র ভ্যাকসিন কিনুক।‘গতকাল বাংলার মুখ্যমন্ত্রী সহ অবিজেপি শাসিত ১১ টি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের চিঠি দিয়েছেন কেরলের মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়ন ।