নিউজপলিটিক্সরাজ্য

আজ দুপুরে হঠাৎ পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বাড়িতে হাজির হলেন মুকুল রায়।

নিজস্ব প্রতিবেদন: রাজ্য রাজনীতিতে বর্তমানে চর্চায় রয়েছে একটাই নাম মুকুল‌ রায়। গত শুক্রবার তিনি বিরাট পালাবদল ঘটিয়েছেন বাংলার রাজনৈতিক পটভূমিতে। বিজেপির সাথে চার বছরের সম্পর্কে ইতি টেনে তিনি প্রত্যাবর্তন করেছেন তৃণমূলে। গত শুক্রবার মুকুল রায় এবং তাঁর পুত্র শুভ্রাংশু রায়ের গলায় উত্তরীয় পরিয়ে তাঁদের তৃণমূলে অভ্যর্থনা জানান অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।

এবার মুকুল রায় আজ দুপুরে হঠাৎ হাজির হয়েছেন মহাসচিব তথা রাজ্যের শিল্পমন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বাড়িতে। কয়েকদিন আগেই মাতৃবিয়োগ হয়েছে শিল্পমন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের। তাকে সমবেদনা জানাতে তার বাড়ি গিয়েছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, সুব্রত মুখোপাধ্যায়, সুব্রত বক্সি প্রমুখ নেতারা। এছাড়াও গিয়েছিলেন রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়, শোভন চট্টোপাধ্যায় এবং বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়।

আরও পড়ুন-মুকুলের কাঁধে অর্পণ করা হতে পারে নির্বাচন কমিশন সামলানোর দ্বায়িত্বভার

আজ মুকুল রায়, পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের সাথে গিয়ে সাক্ষাৎ করেছেন তাঁর নাকতলার বাড়িতে। সেখানে পার্থবাবুর প্রয়াত মা শিবানী চট্টোপাধ্যায় এর প্রতিকৃতিতে মাল্যদান করেছেন মুকুল রায়। তারপরে বেশ কিছুক্ষণ পার্থ বাবুর সাথে কথা বলেছেন মুকুল রায়।এর আগে বিজেপিতে গিয়ে পার্থ চট্টোপাধ্যায় কে ব্যাপক আক্রমণ করেছিলেন মুকুল‌ রায়।

আরও পড়ুন-প্রশান্ত কিশোরের সংস্থা আইপ্যাকের সাথে ২০২৬ সাল পর্যন্ত চুক্তি হল তৃণমূলের।

সেইমতো প্রত্যুত্তর দিয়েছিলেন পার্থবাবুও। কিন্তু সেই দিনের রাজনৈতিক তিক্ততা ঝেড়ে ফেলে এখন একে অপরের সাথে বন্ধুত্বপূর্ণ আচরণ করছেন দলের খাতিরে। দুজনই বলেছেন তাদের লক্ষ্য হলো সংগঠনকে আরও শক্তিশালী পর্যায়ে উন্নীত করা। পার্থ চট্টোপাধ্যায় তৃণমূল কংগ্রেসের সাথে যুক্ত আছেন বহুদিন ধরে।

তার মতো অভিজ্ঞ রাজনীতিকের পরামর্শ চাইছেন তৃণমূলের বহু নেতা মন্ত্রীরা। পার্থ বাবুর সাথে শোভন-বৈশাখী, রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাক্ষাৎ করাটা আগামীদিনে এক নতুন রাজনৈতিক সমীকরণের সূচনা করতে চলেছে বলে মনে করছেন বাংলার রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

Related Articles

Back to top button