নিউজপলিটিক্সরাজ্য

টুইটারে একমাস নীরব মুকুল রায়। তারপরেই তৃণমূলে হঠাৎ প্রত্যাবর্তন।

নিজস্ব প্রতিবেদন: তৃণমূলে প্রত্যাবর্তন করেছেন মুকুল রায়। বিজেপির সাথে দীর্ঘ চার বছরের সম্পর্ক ছিন্ন করে আবার তৃণমূলের আঙিনায় ফিরে এসেছেন মুকুল রায়। দল পরিবর্তন করতেই বদলে গিয়েছে মুকুল রায়ের টুইটার অ্যাকাউন্টও । সেখানে কয়েকদিন আগেই ভারতীয় জনতা পার্টির সর্বভারতীয় সভাপতি পরিচিতি ছিল সেখানে হল সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস।

কভার ফটো ছিল গেরুয়া , সেই কভার ফটো বদলে স্থান পেল গতকাল মুখ্যমন্ত্রীর সাথে মুকুলের সাংবাদিক বৈঠক এর চিত্র।গত ১০ ই মে শুভেন্দু অধিকারী বিরোধীদলীয় নেতা নির্বাচিত হওয়ার পর মুকুল রায় টুইট করে বলেছিলেন, “পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার বিরোধী দলনেতা নির্বাচিত হওয়ার জন্য শুভেন্দু অধিকারী কে অনেক অভিনন্দন জানালাম। আমি নিশ্চিত হয়েছি যে রাজ্যকে আরো উন্নয়নের দিকে নিয়ে যাওয়ায় ত্বরান্বিত করবে তাঁর দূরদর্শী এবং বিচক্ষণ নেতৃত্ব।”তবেই গত ১০ ই মে শেষবার তিনি শুভেন্দু কে অভিনন্দন জানিয়ে টুইটারে পোস্ট করেছিলেন।

আরও পড়ুন-মুকুল ফিরতেই জমে উঠলো সেই পুরানো আড্ডা। আলুভাজা, চিপস্ দিয়ে মুড়ি মাখলেন মুখ্যমন্ত্রী।

তারপর গত বৃহস্পতিবার পরিচালক বুদ্ধদেব দাশগুপ্তের প্রয়াণে একটি শোক বার্তা দিয়েছেন টুইটারে। কিন্তু দীর্ঘ একমাস টুইটারে কোনোরকম উচ্চবাচ্য করেননি মুকুল রায়। অর্থাৎ অনেকেই বলছেন যে টুইটারে এরকম নীরব থাকার অর্থ এটাই বলে দিচ্ছে যে দীর্ঘ সময় ধরে তৃণমূলে প্রত্যাবর্তন করার আভাস দিচ্ছিলেন মুকুল রায়। এমনিতেই একুশের ভোটে যথেষ্ট সক্রিয় ভাবে তাঁকে প্রচার করতে দেখা যায়নি।

আরও পড়ুন-“ঘরছাড়া কর্মীদের দলে ফেরানোই আমার মুখ্য উদ্দেশ্য। কে গেল কে এলো তা নিয়ে ভাবার সময় নেই।”- বললেন দিলীপ ঘোষ।

মুকুল রায়ের দলবদলে যথেষ্ট বিক্ষোভ বৃদ্ধি পেয়েছে বিজেপির অন্দরে। বিজেপির শীর্ষ নেতাদের আক্রমণ করেছেন বিজেপি নেতা অনুপম হাজরা। তিনি বলেছেন,”এখানে একসাথে অনেক নেতাকে বসিয়ে রাখা হয়। কাজ করতে চাইলেও অনেক নেতাকে শুধু শুধু বসিয়ে রাখা হয় কোন রকম কাজ না দিয়ে।

আমরা সবাই চেয়েছিলাম তৃণমূলের বিরুদ্ধে একসাথে লড়াই করব। কিন্তু ভোটের সময় দেখা গিয়েছে অনেক নেতাকে ক্যাম্পেইনে ডাকা পর্যন্ত হয়নি । দুর্ভাগ্যবশত আমাদের অনেকেই ভোটের সময় কোন রকম দায়িত্ব দেওয়া হয়নি।”

Related Articles

Back to top button