নিউজ

“বেশি মানুষ মারা যাচ্ছে আর আপনারা হাত গুটিয়ে বসে রয়েছেন।”- কেন্দ্রীয় সরকারকে কটাক্ষ দিল্লি হাইকোর্টের

নিজস্ব প্রতিবেদন: সারা ভারত জুড়ে আছড়ে পড়েছে করোনার ভয়াবহ ঢেউ। প্রতিদিন বহু মানুষ মৃত্যুর মুখে ঢলে পড়ছেন এই মারণ ভাইরাসের প্রভাবে। এই পরিস্থিতিতে সম্পূর্ণ কেন্দ্রীয় সরকারের উপর দায়ভার চাপিয়ে দিয় সরব হয়েছেন অনেকেই। অনেকেই বলছেন প্রধানমন্ত্রী তার দায়িত্ব অনুযায়ী সঠিক ভাবে কর্মসম্পাদন করছেন না। যার দরুন টুইটারে ট্রেন্ডিং হ্যাশট্যাগ ‘রিজাইন নরেন্দ্র মোদী’ দিয়ে শুরু হয়েছে প্রধানমন্ত্রীকে বিদ্ধ করা।

বিশ্বের বহু জনগণ করোনার এই বিপর্যয়ের জন্য কেন্দ্রীয় সরকারের দিকে অভিযোগের আঙুল তুলছেন। যার ফলস্বরূপ টুইটার এবং ফেসবুকের জনপ্রিয় হ্যাশট্যাগ হয়ে উঠেছে #রিসাইন মোদী।করোনা পরিস্থিতিতে কেন্দ্রীয় সরকারকে অনেকেই তীব্র আক্রমণ করেছে। এই ভয়াবহ পরিস্থিতিতে মানুষের পরিষেবার ক্ষেত্রে যথেষ্ট অস্বচ্ছ্বতা রয়েছে বলে দাবি করেছেন অনেকেই। করোনার পর্যায়ে এবার দিল্লি হাইকোর্ট তীব্র ভর্ৎসনা করেছে কেন্দ্রীয় সরকারকে।

এর আগে দেখা গিয়েছিলো যে কোভিডের এই ভয়াবহ পরিস্থিতিতে নির্বাচন কমিশনকে কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছিল কলকাতা হাইকোর্ট । কলকাতা হাইকোর্ট তীব্র ভর্ৎসনা করে বলেছিলো যে, কমিশনের হাতে যথেষ্ট ক্ষমতা রয়েছে, কিন্তু নির্বাচন কমিশন এই ক্ষমতার যথেষ্ট ব্যবহার করছে না। এরপরই বাংলায় সমস্ত রাজনৈতিক দলের গণসমাবেশ মিটিং-মিছিল এর ওপর নিষেধাজ্ঞা চাপিয়ে দিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

আরও পড়ুন-এবারে বাংলায় হাড্ডাহাড্ডি লড়াই তৃণমূল এবং বিজেপির। ধারে কাছে নেই বাম সংযুক্ত মোর্চা।

দিল্লি হাইকোর্টের বিচারপতি রেখা পাটিল এবং বিপিন‌সাঙ্ঘীর ডিভিশন বেঞ্চ বলেছে যে, “যারা অক্সিজেন পাচ্ছেন না, তারা কি রেমডেসিডি পাচ্ছেন ? নাকি তাদের শুধুমাত্র মরার জন্য ছেড়ে দেওয়া হচ্ছে? লোকেরা মরতে থাকবে আর আপনারা হাত গুটিয়ে বসে থাকবেন? কেন্দ্রীয় সরকার দিল্লিকে প্রতিদিন ৪০৯ মেট্রিক টন অক্সিজেন সরবরাহ করার প্রতিশ্রুতি প্রদান করেছিল। দিল্লিতে মাত্র একদিন ওই পরিমাণ অক্সিজেন পৌঁছেছে।

পরিকল্পনা মাফিক কাজ করছেনা কেন্দ্রীয় সরকার। শুধুমাত্র যাদের অক্সিজেন ট্রিটমেন্ট চলছে তারাই একমাত্র জীবনদায়ী ঔষধ রেমডেসিভি পাবেন এই প্রোটোকল চরম ভুল সিদ্ধান্ত। তাহলে আপনারা কি আরও মানুষের মৃত্যুর পথ চেয়ে বসে আছেন।?”গত বুধবার শুনানিতে এভাবেই কেন্দ্রীয় সরকারকে তীব্র তিরস্কার করেছে দিল্লি হাইকোর্ট।

Related Articles

Back to top button