“উত্তরপ্রদেশে মোদীর ভোটপ্রচারের ফলেই আছড়ে পড়বে করোনার তৃতীয় ঢেউ।

“উত্তরপ্রদেশে মোদীর ভোটপ্রচারের ফলেই আছড়ে পড়বে করোনার তৃতীয় ঢেউ।

নিজস্ব প্রতিবেদন: একুশের ভোটের আগে বাংলা দখলের উদ্দেশ্যে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলো বিজেপি। ক্রমাগত লক্ষ লক্ষ লোক নিয়ে জনসভা করেছিলো বিজেপি, তৃণমূল। সিপিএম সংযুক্ত মোর্চাও জনসভা করেছিলো। কিন্তু রাজ্যে যখন আস্তে আস্তে করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের প্রভাব সক্রিয় হতে শুরু করেছিলো তখন সংযুক্ত মোর্চা ঘোষণা করেছিল যে তারা আর জনসভা করবে না ।

কিন্তু এর পরেও জনসভা, রোড শো চালিয়ে গিয়েছে বিজেপি এবং তৃণমূল। ওই জনসভায় কাতারে কাতারে মানুষের জনজোয়ারে কারো পক্ষে সম্ভব ছিল না সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা। এবং এই জনসভা গুলিতে বেশিরভাগ মানুষের মুখে দেখা যায়নি মাস্ক। যার দরুণ খুব শীঘ্রই সারা রাজ্য তথা দেশজুড়ে আছড়ে পরে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ।

আরও পড়ুন-ঘরে বসে ৩০ জুনের মধ্যে করুন এই কাজ। কেন্দ্রীয় সরকার দেবে ২ লক্ষ টাকা।

তবে বিজেপি এবং তৃণমূল নেতৃত্ব দাবি করেছে যে রাজনৈতিক জনসভার কারণে বাংলায় করোনা ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েনি যেখানে চিকিৎসকরা এই জনসভা এবং রোড শো গুলিকেই দায়ী করছে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এর জন্য কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছেন নির্বাচন কমিশনকে।আগামী ৬ থেকে ৮ সপ্তাহের মধ্যেই আছড়ে পড়তে চলেছে করোনার তৃতীয় ঢেউ , এমনটাই সতর্কবার্তা দিয়েছেন এইমসের শীর্ষকর্তা। এবার এই পরিপ্রেক্ষিতে মোদী সরকারের উপর আবার আক্রমণ শানিয়েছেন যুব তৃণমূল সভানেত্রী সায়নী ঘোষ।

আরও পড়ুন-করোনার তৃতীয় ঢেউয়ের আগমনের পূর্বেই দুশ্চিন্তা বাড়াচ্ছে ‘ডেল্টা ভেরিয়েন্ট’। আতঙ্ক দেশে।

আসানসোল দক্ষিণের প্রার্থী হিসেবে এবারের দাঁড়িয়েছিলেন তিনি। ভোটে পরাজিত হলেও তৃণমূল কর্মী সমর্থকদের কাছে যথেষ্ট জনপ্রিয়তা পেয়েছেন তিনি। যার দরুন তাঁকে যুব তৃণমূল সভানেত্রীর পদে বসিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।আগামী ২০২২ এর মার্চে হতে চলেছে উত্তরপ্রদেশের বিধানসভা নির্বাচন।

আরও পড়ুন-“পূজার আগে সাড়ে ২৪ হাজার এবং পূজার পরে সাড়ে ৭ হাজার শিক্ষক নিয়োগ করা হবে।”- ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

উত্তরপ্রদেশের মাটিতে নিজেদের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার জন্য এখন থেকেই রণকৌশল সাজাচ্ছে কেন্দ্রীয় বিজেপি সরকার। ‌ এই আবহে টুইটে প্রধানমন্ত্রীর সরকারকে আক্রমণ করেছেন সায়নী ঘোষ। তিনি লিখেছেন,”প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী সহ বিজেপির অন্যান্য নেতারা আগামী জুলাই মাস থেকে উত্তর প্রদেশ বিধানসভা ভোটের জন্য প্রচারে নামছে চলেছেন। এবার সবাই নির্বাচনের দিকে চোখ রাখুন। ‌

অক্টোবরের অনেক আগেই করোনার তৃতীয় ঢেউ সজোরে আছড়ে পড়বে ভারতের বুকে।”