“অনেকেই পরিস্থিতির চাপে মুখ ঘুরিয়ে নিয়েছেন।”- রাজীব প্রসঙ্গে মন্তব্য দিলীপ ঘোষের

“অনেকেই পরিস্থিতির চাপে মুখ ঘুরিয়ে নিয়েছেন।”- রাজীব প্রসঙ্গে মন্তব্য দিলীপ ঘোষের

নিজস্ব প্রতিবেদন: মুকুল রায় তৃণমূলে প্রত্যাবর্তন করার পরেই বিজেপি শিবিরে দেখা দিয়েছে অন্তর্কলহ। মুকুল রায়ের পথে পা বাড়িয়ে রয়েছেন রাজীব বন্দোপাধ্যায় সহ বিজেপির আরো নেতারা। মুকুল রায় নিজে বলেছেন যে তার সাথে বহু বিজেপি নেতারা যোগাযোগ করছেন তৃণমূলে আসবে বলে। এদিকে বিজেপি নেতা সুনীল মন্ডল কয়েকদিন আগেই বলেছিলেন, “তৃণমূল থেকে যারা বিজেপিতে এসেছেন তাদের সাথে বিজেপি মানিয়ে নিতে পারছে না।

তাদেরকে কিছুতেই সহ্য করতে পারছেনা বিজেপির আদি নেতারা।” তবে সুনীল মণ্ডল এবং রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় এর তৃণমূলে ফেরার ইচ্ছা থাকলেও এই দুই দলবদলুকে কিছুতেই ফিরিয়ে নিতে রাজী নয় তৃণমূল কর্মী সমর্থকরা। ভোট পরবর্তী হিংসার শিকার হলেও সেইসমস্ত বিজেপি কর্মী সমর্থকদের নিরাপত্তাজনিত কোনো ব্যবস্থা বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব করছে না বলে ক্ষোভপ্রকাশ করছেন বহু বিজেপি অনুগামী। অনেক জায়গাতেই বিজেপি ছেড়ে হাজার হাজার কর্মী সমর্থকরা তৃণমূলে আবার নাম লেখাচ্ছে।

আরও পড়ুন-আবার ভাঙ্গন গেরুয়া শিবিরে। আলিপুরদুয়ারের বিজেপি জেলা সভাপতি যোগ দিচ্ছেন তৃণমূলে।

রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় এর বিরুদ্ধে ডোমজুড়ে পোস্টার দিয়েছে তৃণমূল কর্মী সমর্থকরা। তাঁকে গদ্দার, বেইমান বলে আখ্যা দিচ্ছে তৃণমূল কর্মী সমর্থকরা। কোনো তৃণমূল কর্মী রাজীবকে দলে ফিরিয়ে নিতে রাজী নয়। এই আবহে এবার রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রসঙ্গে বেশ কিছু মন্তব্য করেছেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ।

আরও পড়ুন-রাজ্যের আইন শৃঙ্খলার ব্যবস্থার বিরুদ্ধে একরাশ অভিযোগ তুলে রাজ্যপালের সাথে আবার সাক্ষাৎ করলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।

উত্তর দিনাজপুর জেলায় বিজেপির কার্যকর্তাদের নিয়ে মিটিং এর পর তিনি বলেছেন,”দলবদল করার প্রবণতাটা অনেকের মধ্যেই দেখা যাচ্ছে। বিজেপি হেরে যাওয়ার পর পরিস্থিতির কবলে পড়ে অনেকেই বিজেপি ছেড়ে চলে যাচ্ছেন। ‌ উনারা চাপের মুখে লড়াই করতে পারছেন না বলেই তৃণমূলে চলে যাচ্ছেন। বাংলার মানুষ আমাদের ভোট দিয়ে বিরোধী পথে বসিয়েছেন।

আরও পড়ুন-“একমাত্র মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়‌ই প্রধানমন্ত্রীকে আটকানোর ক্ষমতা রাখেন।”- মুখ্যমন্ত্রীর স্তুতি অধীর চৌধুরীর।

দলের মধ্যে বেশ কিছু নির্দিষ্ট আইন-কানুন রয়েছে। ‌ ইতিমধ্যেই অনেকে শোকজ করা হয়েছে আবার অনেককে সাসপেন্ড করা হয়েছে। রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় এর সাথে আমরা কথাবার্তা বলছি , উনাকে এখনো শোকজ করা হয়নি। উনার সাথে আলোচনা করে বিষয়টি নিষ্পত্তি করার চেষ্টা করা হচ্ছে।

যে সমস্ত দলীয় নেতৃত্ব এই আবহে মনের জোর হারিয়ে ফেলছেন, তাদেরকে আমরা বোঝাচ্ছি।”