শীতলকুচি কাণ্ডে মৃতদের পরিবারের সমস্ত রকম আর্থিক দায়ভার বহন করবেন মমতা! রইল বিস্তারিত।

শীতলকুচি কাণ্ডে মৃতদের পরিবারের সমস্ত রকম আর্থিক দায়ভার বহন করবেন মমতা! রইল বিস্তারিত।

নিজস্ব প্রতিবেদন:-এখনো পর্যন্ত গতকাল কোচবিহারের শীতলকুচিতে হওয়া ঘটনার রেশ কাটিয়ে উঠতে পারেনি পশ্চিমবঙ্গ। ইতিমধ্যেই এই ঘটনা নিয়ে পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে জোরকদমে জল্পনা শুরু হয়ে গিয়েছে। আপাতত 72 ঘন্টা কোচবিহারে রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের প্রবেশের উপর কমিশন নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। এই পরিস্থিতিতে যেনতেন প্রকারে মৃতদের পরিবারের সাথে যোগাযোগ করতে চাইছেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

এমতাবস্থায় শেষ পর্যন্ত তিনি মৃতদের পরিবারের সমস্ত দায়ভার গ্রহণ করার সিদ্ধান্ত নিলেন।এদিন রবিবার সকাল বেলায় হঠাৎ করেই মৃতদের পরিবারগুলির সাথে ভিডিও কলের মাধ্যমে কথা বলেন মুখ্যমন্ত্রী। তারপর এক সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া ব্যক্তিগত সাক্ষাৎকারে মমতা জানান, 72 ঘন্টা নিষেধাজ্ঞা জারি করে সম্পূর্ণ তথ্য লুকিয়ে ফেলতে চাইছে নির্বাচন কমিশন। আমাকে আটকে রাখার চেষ্টা করা হলেও তা সম্ভব নয়। আমাকে তিন দিন আটকে রাখা হলেও চতুর্থ দিন আমি যাবই।

আরও পড়ুন-‘কেন্দ্রীয় বাহিনীকে ঘেরাও করে অরাজকতার পরিবেশ তৈরি করতে চাইছেন মমতা’; বক্তব্য অমিত শাহের!

নিহতদের পরিবারের সাথে তার কি কথা হয়েছে জানতে চাইলে মুখ্যমন্ত্রী বলেন,নিহতদের পরিবারের দায়িত্ব সম্পূর্ণ তাঁর। আগামি ১৪ ই এপ্রিল তিনি শীতলকুচির নিহতদের পরিবারের সঙ্গে দেখা করবেন বলে আশ্বাস দেন।কার্যত মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই কর্মকান্ডের পর থেকেই বাংলার বিরোধীদলের রাজনীতিবিদরা আবারো তাকে কটাক্ষ করতে শুরু করে দিয়েছেন।বিরোধী দলনেতা আব্দুল মান্নান রীতিমতো বলেছেন, প্রত্যেক বারের মত মৃত্যু নিয়ে রাজনীতি করতে চাইছেন মমতা।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ মমতাকে কটাক্ষ করে বলেন, বিজেপি জিতবে বুঝতে পেরে তৃণমূলের মনে হতাশা ফুটে উঠেছে।তাই যেনতেন প্রকারে রাজ্যে অরাজকতা ,হিংসা সৃষ্টি করতে চাইছেন মুখ্যমন্ত্রী। মমতা কখনোই শান্তিপূর্ণভাবে ভোট হতে দেবেন না।দুর্নীতি দিয়ে কখনো নির্বাচনে জেতা যায় না বলেও মমতাকে আক্রমণ করেন শাহ।প্রসঙ্গত নিহত ব্যক্তিদের মধ্যে একজন ব্যক্তির স্ত্রী সন্তান সম্ভাবনা বলে জানা যায়।

মুখ্যমন্ত্রী তাকে সমস্ত রকম সাহায্য করার কথা জানিয়েছেন বলে খবর।তবে স্বাভাবিকভাবেই একুশের নির্বাচনের এই দোরগোড়ায় আমাদের মধ্যে প্রশ্ন উঠছে বাইরে থেকে বাংলায় ভোট দিতে আসা ওই রাজনীতি থেকে দূরে থাকা যুবকদের মৃত্যুর দায়িত্ব প্রকৃতপক্ষে কার? বাংলার দুর্নীতিগ্রস্ত রাজনৈতিক পরিবেশের না ক্ষমতায় আসতে চাওয়া কোন সরকারের! এখনো পর্যন্ত এর কোনো সদুত্তর পাওয়া যায়নি।