‘মমতাকে প্রচার থেকে সরিয়ে গৃহবন্দি করে রাখা উচিত’; মন্তব্য করলেন দিলীপ ঘোষ!

‘মমতাকে প্রচার থেকে সরিয়ে গৃহবন্দি করে রাখা উচিত’; মন্তব্য করলেন দিলীপ ঘোষ!

নিজস্ব প্রতিবেদন:-গতকাল চতুর্থ দফার নির্বাচনে কোচবিহারে অশান্তির ঘটনায় মুখ্যমন্ত্রী মমতাকে দায়ী করেছেন বিরোধী শিবিরের নেতারা। ভোটের প্রচারে এসে কৃষ্ণনগরের সভা থেকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি প্রত্যক্ষভাবে এই ঘটনায় তৃণমূল সুপ্রিমোকে অভিযুক্ত করেন। প্রসঙ্গত মোদির দাবি অনুযায়ী,দিন কয়েক আগে চতুর্থ দফার নির্বাচনী প্রচারে গিয়ে সকল মানুষকে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে ঘেরাও করার কথা জানিয়েছিলেন মমতা।

তাই সাধারণ মানুষ সেই চেষ্টা করেছিলেন। যদিও একথা মানতে নারাজ তৃণমূল নেতারা।এমতাবস্থায় শেষ পর্যন্ত মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আক্রমণ করে মুখ খুললেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। দিলীপ ঘোষ বরাবরই নিজের চাঁচাছোলা মন্তব্যের জন্য অধিক পরিচিত। প্রসঙ্গত এদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছিলেন,”আজকের ঘটনার জন্য দায়ী অমিত শাহ। উনিই ষড়যন্ত্রকারী। কেন্দ্রীয় বাহিনীকে দায়ী করব না। তারা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নির্দেশে চলে।

নির্বাচন কমিশনের কথায় চললেও ওরা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের অধীনে। এখানে অঘোষিত ৩৫৬ করে কাজ চলছে”। মমতার এই বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে এদিন দিলীপ ঘোষ পাল্টা আক্রমণ করে বলেন,”বুঝতে পেরেছেন হেরে যাবেন, তাই মানুষকে খেপাতে শুরু করেছেন”।দিলীপ বাবুর দাবি,”যাঁরা মারা গিয়েছেন, তাঁদের মৃত্যুর দায় পুরোপুরি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের।

তিনি মানুষকে আহ্বান জানিয়েছেন, সেন্ট্রাল ফোর্সকে ঘিরতে, ইভিএম আটকাতে।সমাজ বিরোধীরা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হয়ে ভোট করত। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় খেপিয়েছেন। তারা সেন্ট্রাল ফোর্সের উপর হামলা করেছে। গুলি খেয়েছে। আমার মনে হয়, ওঁর বিরুদ্ধে স্বতঃপ্রণোদিত মামলা হওয়া উচিত। প্রচার থেকে সরিয়ে গৃহবন্দি করে রাখা দরকার”। শেষখবর পাওয়া পর্যন্ত আপাতত গতকাল রাতেই কেন্দ্রীয় বাহিনীর তরফে স্থানীয় থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। এই অভিযোগকে ভিত্তি করেই আপাতত এই শীতলকুচি কাণ্ডে তদন্ত চালাচ্ছে প্রশাসন।