নিউজপলিটিক্সরাজ্য

নন্দীগ্রামে গণনা কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে হাইকোর্টে আবেদন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। আজ শুনানি। কটাক্ষ বিজেপির।

নিজস্ব প্রতিবেদন: এবারের একুশের ভোটে সকলেরই নজরে ছিল নন্দীগ্রাম। একুশের ভোটের হটস্পট ছিল নন্দীগ্রাম। কারণ এবারে নন্দীগ্রামে হয়েছে দুই হেভিওয়েট এর লড়াই। তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাথে সম্মুখ সমরে অবতীর্ণ হয়েছিলেন একদা তার দলের সেনাপতি তথা বর্তমান বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী।

টানটান উত্তেজনার শেষে নন্দীগ্রামে জয়লাভ করেছেন শুভেন্দু অধিকারী। ভোটের সময় থেকেই নন্দীগ্রামে যথেষ্ট উত্তপ্ত পরিস্থিতি বিরাজ করছে। শুভেন্দু অধিকারী নন্দীগ্রামের মাটিতে চ্যালেঞ্জ জানিয়েছিলেন যে তিনি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কে অনায়াসে হারিয়ে দেবেন। তবে সামান্য ভোটের ব্যবধানে নন্দীগ্রামে জয় পেয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী।

আরও পড়ুন-মুকুলের বিধায়ক পদ খারিজ করার জন্য রণকৌশল সাজাচ্ছেন শুভেন্দু অধিকারী।

মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর এই জয়কে প্রথম থেকেই দুর্নীতিগ্রস্ত বলে অভিহিত করে আসছেন। নির্বাচন কমিশনকেও তিনি কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছেন। নন্দীগ্রামের ভোটের ফলাফল কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে হাইকোর্টে আপিল করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।তিনি ইলেকশন পিটিশন দায়ের করেছেন।

আরও পড়ুন-মুকুল রায়ের জায়গায় কি আসতে চলেছেন বিজেপির রাজ্যসভার এই সাংসদ?

গণনায় কারচুপির অভিযোগ এর পাশাপাশি নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে বেশ কয়েকটি অভিযোগ এনেছেন মুখ্যমন্ত্রী। আজ সকাল ১১ টায় হাইকোর্টের বিচারপতি কৌশিক চন্দ্রের এজলাসে এই মামলার শুনানি হতে চলেছে। এদিকে টুইটারে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কে কটাক্ষ করে বিজেপির আইটি সেল এর প্রধান অমিত লিখেছেন, “আপনি কিভাবে দুবার একটি নির্বাচনে হেরে যাবেন? জনতার রায় আপনি আগেই হেরেছেন এরপর সেই হারকে মেনে নিতে না পেরে জনতার রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন , মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নন্দীগ্রামে পরাজয়ের অপমান দ্বিতীয়বার সহ্য করতে দেখার বিষয়টি খুব মজাদার হবে।”

আরও পড়ুন-“অতি বাড় বেড়ো না ঝড়ে পড়ে যাবে”- মুখ্যমন্ত্রীকে সরাসরি আক্রমণ করলেন শুভেন্দু অধিকারী

এদিকে বিজেপি নেতা অনুপম হাজরা বলেছেন, “আমরা মেনে নিয়েছি গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে ভোট হয়েছে এবং সেই ভোটের ফলে তৃণমূল বর্তমানে বাংলায় সরকার গঠন করেছে, তাহলে এই পরিপ্রেক্ষিতে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হার স্বীকার করে নিতে সমস্যা কি হচ্ছে ? আসলে মুখ্যমন্ত্রী করোনার অজুহাতে মিউনিসিপ্যাল ইলেকশন করাননি। তাই আগামী দিনে মুখ্যমন্ত্রীত্ব থাকবে কি না সেই আশঙ্কায় তিনি তাড়াহুড়ো করে মামলা দায়ের করলেন।”

Related Articles

Back to top button