নিউজরাজ্য

অপসারণ করা হলো মহুয়া দাস কে। উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের নতুন সভাপতি হলেন চিরঞ্জীব ভট্টাচার্য।

নিজস্ব প্রতিবেদন: উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের সভাপতির পদ থেকে অপসারণ করা হলেও মহুয়া দাস কে, তাঁর পরিবর্তে নতুন সভাপতি পদে আসীন হয়েছেন যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের সহ-উপাচার্য চিরঞ্জীব ভট্টাচার্য। কয়েকদিন আগেই উচ্চ মাধ্যমিকের ফলাফল ঘোষণা করতে গিয়ে উচ্চ মাধ্যমিকে প্রথম স্থানাধিকারী রুমানা সুলতানার ধর্ম পরিচয় তুলে ধরেছিলেন মহুয়া দাস। যার ফলে যথেষ্ট বিতর্কের সম্মুখীন হন তিনি ।

তারপর থেকেই বিভিন্ন মহল মহুয়া দাস কে উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের সভাপতির পদ থেকে সরিয়ে দেওয়ার আবেদন জানিয়েছিলেন। এই প্রসঙ্গে আত্মপক্ষ সমর্থন করে মহুয়া দাস বলেছিলেন যে আবেগবশত তিনি এই মন্তব্য করে ফেলেছেন। এছাড়াও মহুয়া দাসের বিরুদ্ধে সল্টলেক শিক্ষা সংসদের বাইরে শিক্ষক ঐক্য মুক্তমঞ্চের সদস্যরা যথেষ্ট বিক্ষোভ দেখিয়েছিলেন ‌ ।

আরও পড়ুন –রাত ৮ টার পরিবর্তে এবার শেষ মেট্রো ছাড়বে রাত ৯ টায়

তারা সকলেই দাবি তুলেছিলেন যে অবিলম্বে মহাদেশকে পদত্যাগ করতে হবে। বিক্ষোভকারী দের সাথে পুলিশের দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়েছিল। মহুয়া দাস আত্মপক্ষ সমর্থন করে বলেছিলেন, “সংসদের ইতিহাসে মেয়েটি এত ভালো রেজাল্ট করায় আমার বেগম রোকেয়ার কথা মাথায় এসেছিল। তাই আমি আবেগের বশে তার ধর্ম উল্লেখ করে ফেলেছিলাম।

সাংবাদিকরা মেয়েটির সম্পর্কে অনেক কিছু জানার জন্য আমার কাছে অনুরোধ করেছিলেন, তাই আমি সাংবাদিকদের সমস্ত তথ্য দিয়েছিলাম। আমি উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবে তার ধর্মীয় পরিচয় তুলে ধরি নি।” কিন্তু মহুয়া দাস এর আচরণের যথেষ্ট নিন্দা করেছিল তৃণমূল কংগ্রেস।

আরও পড়ুন –হাজতবাস পরীমনির। আদালত নাকচ করলো জামিনের আবেদন।

বিজেপির মুখপাত্র শমীক ভট্টাচার্য এবং বিজেপির আইটি সেল এর প্রধান অমিত মালব্য, বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী সকলেই মহুয়ার এই উক্তিতে রাজ্য সরকারের প্রতি তোষণমূলক আচরণের অভিযোগ করেছিলেন। তাই এই বিতর্কের আগুন প্রশমিত করতে মহুয়া দাসকে উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের সভাপতির পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হলো।

Related Articles

Back to top button