নিউজপলিটিক্সরাজ্য

“জগদীপ ধনখড়কে পাগলা হাতির সাথে তুলনা করলেন মদন মিত্র।

নিজস্ব প্রতিবেদন: রাজ্যপালের দিল্লি সফর এবং তারপরেই উত্তরবঙ্গ সফর ঘিরে যথেষ্ট বিতর্কের সূত্রপাত হয়েছে বাংলায়। রাজ্যপালকে কার্শিয়াং থেকে দার্জিলিং যাওয়ার পথে দেখানো হয়েছে কালো পতাকা। তাঁকে গো ব্যাক স্লোগান‌ও দেওয়া হয়েছে। এই আবহে এবার রাজ্যপালকে বিস্তর কটাক্ষ করেছেন কামারহাটির তৃণমূল বিধায়ক মদন মিত্র।

সদা সর্বদা রঙিন মেজাজেই থাকতে দেখা যায় তৃণমূলের এই দোর্দন্ডপ্রতাপ মন্ত্রীকে। কিন্তু কখনোই তাঁকে মেজাজ হারাতে দেখা যায়নি। তিনি সর্বদাই শান্ত , সংযত থাকেন। তবে তাঁকে আরো জনপ্রিয়তা দিয়েছে তাঁর একের পর এক ফেসবুক লাইভ।

আরও পড়ুন-ঘুরিয়ে বিজেপির আলাদা রাজ্যের দাবিকে কি ইন্ধন দিলেন রাজ্যপাল ? গাঢ় হল জল্পনা।

ফেসবুক লাইভে পরিপাটি পোশাকে তাঁকে প্রায়শ‌ই নানান বিষয়ে কথা বলতে দেখা যায়। ফেসবুক লাইভে কখনো গান আবার কখনো আবৃত্তিতে ডুবে থাকেন মদন মিত্র। কেন্দ্রীয় সরকারের সমালোচনা করতেও দেখা যায় তাঁকে তিনি রাজ্যপালকে কটাক্ষ করে বলেছেন, “রাজ্যপাল যেখানেই যাচ্ছেন সেখানে উনাকে কালো কাপড় দেখানো হচ্ছে। এটা যদি কোন সিনেমার দৃশ্য হত তাহলে দেখানো হতো কালো কুকুর চিৎকার করছে।

আমি সকলকে অনুরোধ করছি রাজ্যপালকে কখনো কখনো সোনালী কাপড়, হলুদ, লাল কাপড় দেখানো হোক । কুকুরের মত উনাকে কেন কালো কাপড় দেখানো হচ্ছে। ছোটবেলায় শুনতাম কালো কুকুর চিৎকার করে। জনতা রাজ্যপালের উদ্দেশ্যে কী ভাবছে সেটা বুঝতে পারছি না।”

আরও পড়ুন-“৩৭০ ধারা না ফিরলে ভোটে দাঁড়াবো না।”- আবার সোচ্চার মেহবুবা মুফতি।

এছাড়াও গত বৃহস্পতিবার হাওড়ার বালিতে একটি অনুষ্ঠানে রাজ্যপালকে কটাক্ষ করে মদন মিত্র বলেছেন, “রাজ্যপাল কয়েকদিন আগেই বলেছিলেন যে হাজার হাজার বাঙালি অসমে পালিয়েছেন। তিনি যদি সোজা ভাষায় বলতেন যে আমি সরকারি পয়সায় বিজনেস ক্লাসে শিলং বেড়াতে যাব তাহলে ভালো হতো। ‌ ওখানে গিয়ে একটা বাঙালিও তাঁকে বললেন না যে তাদের তাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। ‌ দিল্লিতে গিয়ে উনি বললেন যে বাংলায় খুব সন্ত্রাস হয়েছে।

‌ রাজ্যপালের উপযুক্ত বাংলায় আর একজন মহিলা রয়েছেন। আমি তার নাম বলবো না। ‌ তাকে দেখলে আমার ছোটবেলার কথা মনে পড়ে। ‘জল পড়ে পাতা নড়ে পাগলা হাতি মাথা নাড়ে।’

আরও পড়ুন-কলকাতা পুরসভার সাথে দেবাঞ্জনের কি যোগসূত্র? সমস্ত দপ্তরকে নথি খতিয়ে দেখার নির্দেশ দিলেন ফিরহাদ হাকিম

উনার অবস্থা এই সময় পাগলা হাতির মতো। রাজ্যপালের পদ প্রত্যাহার করা উচিত। ‌ লক্ষ লক্ষ কোটি টাকা লুট করছে আর ফূর্তি মারছে। বহু লোক না খেতে পেয়ে মরে যাচ্ছে। লজ্জা লাগা দরকার।

এই রাজ্যপাল ৭২ ঘন্টার মধ্যেই ভেগে যেতে পারেন।”

Related Articles

Back to top button