নিউজপলিটিক্সরাজ্য

“এবার ডেথ সার্টিফিকেটেও উনার ছবি লাগানোর অনুমতি দেওয়া হোক!”- ভ্যাকসিনের সার্টিফিকেটে প্রধানমন্ত্রীর ছবি থাকায় কটাক্ষ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের

নিজস্ব প্রতিবেদন: করোনার ভ্যাকসিন দেওয়া হচ্ছে সারা দেশজুড়ে। এখনো পর্যন্ত দেশের অর্ধেক মানুষকে ভ্যাকসিনের অপ্রতুলতার দরুন ভ্যাকসিন দেওয়া সম্ভব হয়ে ওঠেনি। তবে ভ্যাকসিন নেওয়ার পর সকলেই প্রায় কো’উইন অ্যাপ থেকে ভ্যাকসিনের সার্টিফিকেট ডাউনলোড করছেন। এই সার্টিফিকেটের তলায় প্রধানমন্ত্রীর ছবি দেওয়া থাকে এবং তার পাশে একটি বার্তা লেখা থাকে।

এবার প্রধানমন্ত্রীর ছবি এবং বার্তা দেওয়া সার্টিফিকেটে কেন দেওয়া থাকবে সেই বিষয়ে যথেষ্ট আওয়াজ তুলেছেন বিরোধীরা। বিরোধীরা অভিযোগ করছে যে এই ছবি এবং বার্তা দেওয়ার মাধ্যমে কেন্দ্রীয় সরকার নিজের প্রচার করে চলেছে। গত মঙ্গলবার বিরোধীদের সমস্ত প্রশ্নের উত্তর দিয়েছে কেন্দ্র। ভ্যাকসিনের সার্টিফিকেটে কেন প্রধানমন্ত্রীর ছবি এবং বার্তা দেওয়া থাকছে সেটা রাজ্যসভায় জানিয়ে দিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ভারতী প্রবীণ পাওয়ার ।

আরও পড়ুন-“আমরাও দেখে নেবো”- হাসপাতালে সুদীপ রাহাদের দেখতে গিয়ে মন্তব্য মুখ্যমন্ত্রীর

তিনি তার প্রতুত্তর লিখিত আকারে পেশ করেছেন রাজ্যসভায়।কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বলেছেন,”জনস্বার্থে ভ্যাকসিনের সার্টিফিকেটে প্রধানমন্ত্রী ছবিসহ বার্তা ছাপা হয়েছে। ‌ কারণ ভ্যাকসিন নেওয়ার পর করোনার সংক্রমণ হবে না এটা অনেকেই ভেবে কোভিড বিধি মানছেন না । তাই ভ্যাকসিন নেওয়ার পরেও যাতে মানুষ সচেতন থাকেন তার জন্য প্রধানমন্ত্রীর ছবি এবং বার্তা দেওয়া ভ্যাকসিন সার্টিফিকেট দেওয়া হচ্ছে।

জনস্বার্থে মানুষের মধ্যে সচেতনতা বোধ গড়ে তুলতে এই পদ্ধতি অবলম্বন করছে কেন্দ্রীয় সরকার।”এবার এই প্রসঙ্গে আজ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বিরুদ্ধে কটাক্ষের তীর ছুঁড়ে দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেছেন,”ধরুন আমি তার সমর্থক নই, তাহলে আমি সার্টিফিকেটে কেন তার ছবি দেখব ? বাধ্যতামূলকভাবে সার্টিফিকেট গুলিতে উনি নিজের ছবি লাগিয়ে দিচ্ছেন।

আরও পড়ুন-“মুখ্যমন্ত্রী রাজ্যে কিছুই করছেন না”- মহিলাদের নির্যাতন এবং হিংসাত্মক পরিস্থিতির বিরুদ্ধে এবার পথে নামলেন বিজেপি বিধায়ক চন্দনা বাউড়ি

নিজের বার্তা দিচ্ছেন! যখন আমি আপনাকে পছন্দ করি না তখন আপনার ছবি আমি কেন সার্টিফিকেটে রাখবো? সাধারণ মানুষকে এই মর্মে স্বাধীনতা দেওয়া দরকার। এটা যথেষ্ট বাড়াবাড়ি হয়ে যাচ্ছে। এবার তাহলে ডেথ সার্টিফিকেটেও প্রধানমন্ত্রীর ছবি লাগিয়ে দেওয়ার অনুমতি দেওয়া হোক ?”

Related Articles

Back to top button