নিউজপলিটিক্সরাজ্য

“কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাকে দিয়ে কসবা কান্ডের তদন্ত করানো হোক।”- কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে চিঠি দিলেন শুভেন্দু অধিকারী।

নিজস্ব প্রতিবেদন: কসবার ভুয়ো টীকাকরণ ক্যাম্পের ঘটনায় সারা রাজ্য জুড়ে রীতিমতো চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। প্রথম থেকেই রাজ্যের বিরোধী দলগুলি এই ঘটনায় তৃণমূলের প্রথম সারির নেতাদের যোগসাজশের অভিযোগ করেছে।তৃণমূল মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম সহ সুব্রত মুখোপাধ্যায় এবং আরো বেশ কয়েকজন তৃণমূল নেতার সাথে দেবাঞ্জনের বেশ কয়েকটি ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রকাশিত হয়েছে। বিজেপির টুইটার হ্যান্ডেল থেকেও একটি ছবি প্রকাশ করা হয়েছে।

সেখানে ক্যাপশান দেওয়া হয়েছে, “ছবির ব্যক্তিটি হলেন দেবাঞ্জন দেব, ভুয়ো আইএএস অফিসার এবং জাল ভ্যাকসিন কাণ্ডে পুলিশের হাতে ধৃত। শাসক দলের প্রত্যক্ষ মদত না থাকলে এই জালিয়াতি করা সম্ভব নয়। চাল, ত্রিপল কেলেঙ্কারির পর এবার ভ্যাকসিন কেলেঙ্কারি। মানুষ যে তৃণমূল কে বিশ্বাস করেছিলো, তার এই প্রতিদান দিচ্ছে তারা।”

আরও পড়ুন-ক্ষোভ প্রশমনে নয়া উদ্যোগ। নীচুতলার কর্মীদের দুয়ারে যাচ্ছে সিপিএম।

এছাড়াও বিজেপির মিডিয়া সেলের প্রধান সপ্তর্ষি চৌধুরী একটি ছবি পোস্ট করেছেন যেখানে দেখা গিয়েছে তালতলায় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি মূর্তির ফলক উন্মোচনের অনুষ্ঠানে রাজ্যের পরিবহনমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম এবং সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাথে উপস্থিত রয়েছে দেবাঞ্জনের নাম। সেখানে দেবাঞ্জনের পরিচয় উল্লেখ করা হয়েছে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের যুগ্ম সচিব হিসেবে।এই সমস্ত তথ্য তুলে ধরে বিজেপি দাবি করেছে দেবাঞ্জনকে এই অসামাজিক কাজে মদত দিয়েছে তৃণমূলের হেভিওয়েট নেতারাই।

আরও পড়ুন-“আমাদের বিধায়ক এবার ২৫০ কোটি টাকা খাবে।”- ফাঁস হল তৃণমূল নেতার অডিও ক্লিপ।

এই মর্মে বিরোধী দলনেতার শুভেন্দু অধিকারী কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী হর্ষবর্ধনকে চিঠি লিখে কসবার ভুয়ো ভ্যাকসিন শিবিরের তদন্ত করানোর জন্য কেন্দ্রীয় সংস্থাকে নিয়োগ করার আবেদন করেছেন। শুভেন্দু অধিকারী বলেছেন যে, “অভিযুক্ত দেওয়ান জনের সাথে শাসকদলের বেশকিছু হেভিওয়েট নেতা মন্ত্রীদের ঘনিষ্ঠতা ছিল। দেবাঞ্জন এর সাথে কলকাতা পুরসভার পুর প্রশাসক ফিরহাদ হাকিম, তৃণমূল বিধায়ক লাভলী মৈত্র, দেবাশীষ কুমার, তৃণমূল সাংসদ শান্তনু সেনের যথেষ্ট ভালো যোগাযোগ ছিলো।

তাই রাজ্যের তরফ থেকে যদি তদন্ত হয় তাহলে এই তদন্ত প্রভাবিত হতে পারে। তাই কেন্দ্রীয় সংস্থা সিবিআইকে দিয়ে এই ঘটনার তদন্ত করানো হোক‌।”বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ, বিজেপি নেতা সায়ন্তন বসুও এই দাবি তুলেছেন।

Related Articles

Back to top button