“কাঞ্চন মল্লিক প্রমাণ করুক আমি টাকা চেয়েছি অথবা আমি প্রেম করছি”- বললেন তাঁর স্ত্রী পিঙ্কি

“কাঞ্চন মল্লিক প্রমাণ করুক আমি টাকা চেয়েছি অথবা আমি প্রেম করছি”- বললেন তাঁর স্ত্রী পিঙ্কি

নিজস্ব প্রতিবেদন: রাজ্য রাজনীতি সরগরম কাঞ্চন মল্লিক এবং তাঁর স্ত্রী পিঙ্কি বন্দ্যোপাধ্যায়ের টানাপোড়েনকে কেন্দ্র করে। সদ্য নির্বাচিত উত্তরপাড়া তৃণমূল বিধায়ক কাঞ্চন মল্লিক এর বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন তার স্ত্রী পিঙ্কি বন্দ্যোপাধ্যায় ।গত রবিবার চেতলায় বান্ধবীকে নিয়ে পিঙ্কি বন্দোপাধ্যায়কে হেনস্থা করেছেন কাঞ্চন মল্লিক এমনটাই অভিযোগ করেছেন পিঙ্কি। নিউ আলিপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন তিনি।

এদিকে স্ত্রী পিঙ্কি বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে পাল্টা অভিযোগ দায়ের করেছেন তৃণমূল বিধায়ক তথা অভিনেতা কাঞ্চন মল্লিক।রাজ্য রাজনীতিতে শোভন-বৈশাখীর মত কাঞ্চন-পিঙ্কির বৈবাহিক জীবনের ওঠাপড়ার বিষয়টিও মশলামুড়ির মতো কচকচিয়ে যাচ্ছেন নেটিজেনরা। সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যঙ্গ বিদ্রুপের ছড়াছড়ি। এই আবহে মুখ খুলেছেন কাঞ্চনের স্ত্রী পিঙ্কি বন্দ্যোপাধ্যায়।

আরও পড়ুন-“আজ লোক হাসানো আমি একা ঘরে বসে হাউহাউ করে কাঁদছি।”- লিখলেন কাঞ্চন মল্লিক।

তিনি বলেছেন,”কাঞ্চন ভেবেছিলো আমি ওর অবৈধ সম্পর্কের কথা সংবাদমাধ্যমের কাছে প্রকাশ করেছি। দিনের পর দিন আমাকে ফোন করে বিরক্ত করছিল । আমি ওর সাথে রাস্তায় দাঁড়িয়ে কথা বলতে চাইনি । যার দরুন নিউ আলিপুর থেকে চেতলা পর্যন্ত আমাকে তাড়া করছিল কাঞ্চন এবং ওর বান্ধবী শ্রীময়ী ।

গাড়িতে আমার ছেলে ছিল । কাঞ্চন আর শ্রীময়ীর আমার গাড়ি আটকে চেঁচামেচি করা , হুমকি এইসব কিছু এখনো মনে করে আঁতকে উঠছে আমার ছেলে।আমি চাই যখন আমার ছেলে বড় হবে সে যেন তার নিজের বাবার মতো সত্ত্বাটাকে ভুলে না বসে। আমি কাঞ্চনের বিরুদ্ধে এফ‌আইআর দায়ের করেছি একজন মা হিসাবে।

আরও পড়ুন-“প্রকৃত ভালোবাসা বিরল।”- বেবি বাম্প নিয়ে প্রকাশ্যে ছবি দিতেই মন্তব্য যশের।

কাঞ্চন অভিযোগ করেছে আমি নাকি ওর থেকে টাকা চেয়েছি বা আমি নাকি কারো সাথে প্রেম করছি। ঠিক আছে, ও যেগুলো দাবি করছে সেগুলো প্রমাণ করে দেখাক। টাকা চেয়েছি তার প্রমাণ হিসাবে কল রেকর্ড, হোয়াটসঅ্যাপ মেসেজ, ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট তথ্য দেখাক। আমি সরাসরি চ্যালেঞ্জ করছি।

আমার ছেলে বাংলায় ততটা ভালো নয়। আমি এটাই চেয়েছিলাম যে কাঞ্চন ওর ছেলেকে একটু বাংলা টা দেখিয়ে দিক, কিন্তু বাবা হিসাবে এইটুকু কর্তব্য করেনি কাঞ্চন। আমিই ছেলের সমস্ত দ্বায়িত্ব নেবো।”