নিউজপলিটিক্স

সোশ্যাল মিডিয়ায় কুরুচিকর মিম! উত্তরে কি বললেন যুব তৃণমূল নেত্রী সায়নী ঘোষ? রইল বিস্তারিত।

নিজস্ব প্রতিবেদন :- আসানসোলের দক্ষিণ থেকে এবারে বিধানসভা ভোটে প্রার্থী হয়েছিলেন সায়নী ঘোষ । অভিনয়জগতে ব্যাপক পরিমাণে সাফল্য পেলেও রাজনৈতিক জগতে কিন্তু তার সাফল্যের পরিমাণ নেহাত কম নয় । হয়তো এবার ভোটে জয়যুক্ত হতে পারেনি । কিন্তু দায়িত্ব পেয়েছেন অনেক বড় ।তার পাশাপাশি এই রাজ্যের প্রতিটা মানুষ সায়নী ঘোষের সাথে একসাথে পা মেলাতে প্রস্তুত ।

এমনটা মনে করছে তৃণমূল কংগ্রেসের বহু অনুরাগীরা । কিন্তু এবার সেই সায়নী ঘোষ সোশ্যাল মিডিয়াতে ক্ষোভ উগরে দিলেন । তাকে নিয়ে বানানো মিম প্রতিনিয়ত ভাইরাল হচ্ছে সোশ্যাল মিডিয়াতে। এতদিন যাবত কোন কিছু উত্তর না দিলেও সম্প্রতি তিনি দিলেন জবাব । ঘটনার সূত্রপাত একটি পুরনো ছবিকে ঘিরে। যেখানে দেখা যাচ্ছে সায়নী ঘোষ ও অঙ্কিতা চক্রবর্তীকে। শ্যুটিংয়ের ফাঁকে দুই অভিনেত্রীকে ফ্রেমবন্দি করা হয়েছিল।

যেখানে সায়নীর হাতে রয়েছে একটি সিগারেট। অভিনেত্রীর ধূমপানরত এই ছবিটি আচমকাই ভাইরাল হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়ষ এমনকী এই নিয়ে নানা কুরুচিকর মন্তব্যও উড়ে আসছে বলে অভিযোগ সায়নীর। এরপরই সায়নী এই নিয়ে ক্ষোভ উগরে দেন ফেসবুকে। তাঁর পুরনো ছবি নিয়ে কুরুচিকর মিমের পেছনে BJP-কেই দায়ী করেছেন সায়নী। ফেসবুক পোস্টে তিনি লেখেন, ‘কিছুদিন যাবৎ দেখছি আমার ও এক সহ অভিনেত্রী বন্ধুর একটি বহু পুরনো শ্যুটিংয়ের ছবি নিয়ে প্রচুর কাটাছেঁড়া হচ্ছে।

অনেকে অনেক জ্ঞান দিচ্ছেন, তুলনা টানছেন, মিম বানাচ্ছেন এবং খারাপ কথাও বলছেন। (যদিও বেশিরভাগের মালিকই মালব্য)।’ একইসঙ্গে তাঁর সংযোজন, ‘এই বাংলার মাটি আমার অহংকার এবং বাংলার মানুষের ভালবাসা আমার অলংকার। এই বোকা বোকা জিনিস গুলো করে তাদের ভালোবাসায় বিশেষ প্রভাব ফেলতে পারবেন না। তাই নিজের সীমিত বুদ্ধিতে শান দিন অ্যান্ড ট্রাই সামথিং নিউ।’

এর পাশাপাশি সায়নী ঘোষ এটাও বলেন যে , , ‘মালব্যর মাসতুতো ভাই বোনেরা, মোদীবাবুর অধীনে মৃত অর্থনীতির মন্দা বাজারে দু’টাকা অনেক। ২০২৪ পর্যন্ত করে খান, এখন আছেন, তখন ‘ছিলেন’ হয়ে যাবেন।’আমরা দেখেছিলাম যে ভোটের প্রাক্কালে সায়নী ঘোষ ঠিক কিভাবে একজন জনপ্রতিনিধি হয়ে ওঠে তার এই লড়াকু স্বভাবের জন্য মানুষ তাকে অত্যন্ত বেশি পছন্দ করে তার পাশাপাশি অভিনয় জগৎ থেকে একটা ব্যাপক পরিমাণে জনপ্রিয়তা বা ফ্যান ফলোইং এর বেস তার মধ্যে রয়েছে ।।

Related Articles

Back to top button