কোভিড বিধি মানতে হবে আবশ্যিকভাবে। নির্দেশিকা দিল কলকাতা হাইকোর্ট।

কোভিড বিধি মানতে হবে আবশ্যিকভাবে। নির্দেশিকা দিল কলকাতা হাইকোর্ট।

নিজস্ব প্রতিবেদন : একুশের ভোটের আবহে গা ভাসিয়ে দিয়েছে মানুষ। ‌ কিন্তু বাংলায় এরইমধ্যে সন্ত্রাস বাড়িয়ে তুলছে করোনাভাইরাস এর দ্বিতীয় পর্যায়ের সংক্রমণ। ‌ আবার লকডাউনের ভ্রুকুটি। আবার জনজীবন বিপর্যস্ত হওয়ার আশঙ্কা। ‌ নিউ নরমালে আস্তে আস্তে মানুষ স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে শুরু করেছিলেন, কিন্তু করোনার দ্বিতীয় পর্যায়ের ধাক্কা মানব সমাজকে আঘাত করেছে বেশ গভীরভাবে। রাজ্যে একদিনে আক্রান্ত হয়েছেন ৪ হাজার ৮১৭ জন।

২৪ ঘন্টায় মারা গিয়েছেন ২০ জন। কিন্তু এখনো সচেতন নয় সাধারণ মানুষ জন। ‌ বিশেষ করে একুশের ভুটকিরে রাজ্যের যত্রতত্র জনসভা, রোড শো এবং মিছিল গুলিতে জনতার ঢল নামছে সাংঘাতিকভাবে। ‌ সামাজিক দূরত্ব বিধি শিকেয় উঠেছে। যার ফলে আরো দাপট বাড়াচ্ছে করোনার সংক্রমণ। অধীর চৌধুরী নির্বাচন কমিশনের কাছে লিখিত অনুরোধ জানিয়েছিলেন যে সমস্ত রাজনৈতিক দলকে করোনার কড়া বিধিনিষেধ মেনে চলার নির্দেশিকা দিক কমিশন।

প্রসঙ্গত উল্লেখযোগ্য যে করোনা বিধিনিষেধ মেনে চলা হচ্ছেনা বাংলার রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে এই বিষয়ে তিনটি জনস্বার্থ মামলা দায়ের করা হয়েছিল হাইকোর্টে। এরই পরিপ্রেক্ষিতে রায় দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট।এদিকে করোনার এই বাড়বাড়ন্ত পরিস্থিতিতে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচন আধিকারিক এবং জেলা শাসকদের একগুচ্ছ নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট।

আরও পড়ুন-আজ শীতলকুচিতে মৃতদের পরিবারের সাথে দেখা করতে র‌ওনা দিচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী

করোনার ব্যাপকতা কে রুখতে এই নির্দেশে হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়েছে, “যেকোনো জামায়েত সহ রাজনৈতিক কর্মসূচি, মিটিং-মিছিল , রোড শো, সবেতেই সাধারণ মানুষ নেতা প্রার্থীদের মাস্ক পরতে হবে এবং স্যানিটাইজার ব্যবহার করতে হবে। সেই সাথে সকলকে নির্দিষ্ট শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখতে হবে। জেলা শাসকদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে রাজনৈতিক বা ও রাজনৈতিক জনসভায় ভীড় যাতে না হয় সেই দিকটি খেয়াল করার। ‌

রাজ্যের মুখ্য নির্বাচন আধিকারিক কে এই নির্দেশিকাগুলি অবশ্যই জারি করতে হবে বলে নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট।জনসভা গুলিতে সকলেই যাতে সঠিকভাবে করোনা নীতি মেনে চলেন, তার জন্য রাজনৈতিক দলের নেতা-নেত্রীদের সচেতন করতে হবে তাদের সংগঠনের কর্মী সমর্থকদের।”