“এটা রীতি বিরোধী”- কোভিড নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত বৈঠক সরাসরি সম্প্রচার করায় কেজরিওয়ালের উপর ক্ষুব্ধ প্রধানমন্ত্রী। ক্ষমা চাইলেন কেজরিওয়াল।

“এটা রীতি বিরোধী”- কোভিড নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত বৈঠক সরাসরি সম্প্রচার করায় কেজরিওয়ালের উপর ক্ষুব্ধ প্রধানমন্ত্রী। ক্ষমা চাইলেন কেজরিওয়াল।

নিজস্ব প্রতিবেদন: সারা দেশব্যাপী করোনার দ্বিতীয় পর্যায়ের ঢেউ চরমভাবে আঘাত হেনেছে মানুষের উপরে। দিকে দিকে মৃত্যুর পরিবেশ বিরাজ করছে। মানুষজন মৃত্যু ভয়ে আতঙ্কিত। জায়গায় জায়গায় অক্সিজেনের ঘাটতি দেখা দিয়েছে, অনেক জায়গাতেই হাসপাতালে অমিল‌ বেড। সবথেকে ভয়াবহ অবস্থা মহারাষ্ট্র এবং দিল্লির বুকে। ‌ দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল বারবার প্রধানমন্ত্রীকে অনুরোধ জানিয়েছেন দিল্লিতে অক্সিজেনের যোগান দেওয়ার ব্যবস্থা করতে।

গতকাল শুক্রবার ১১ টি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী দের সাথে বৈঠকে বসেছিলেন নরেন্দ্র মোদী। এই বৈঠকে গরহাজির ছিলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ‌ তিনি বলেছেন এই বৈঠকে অংশগ্রহণ করার জন্য তাকে নাকি আমন্ত্রণ জানানো হয়নি প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর থেকে। ‌এই বৈঠকে অংশগ্রহণ করেছিলেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল।দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী এই বৈঠকের সরাসরি সম্প্রচার করছিলেন। ‌ আর তাতেই বেজায় ক্ষুব্ধ হন প্রধানমন্ত্রী।

বৈঠকে অংশগ্রহণ করাকালীন অরবিন্দ কেজরিওয়াল বলছিলেন,”আমরা বিশ্বাস করছি কোভিদ নিয়ন্ত্রণ করার জন্য আমাদের জাতীয় পরিকল্পনা রয়েছে। ‌ সেই পরিকল্পনা অনুযায়ী রাজ্য সরকার এবং কেন্দ্র সরকার যৌথভাবে কাজ করতে সক্ষম হবে।”তারপরেই প্রধানমন্ত্রী বলেন, “এটা যেটা হচ্ছে তা আমাদের রীতির বিরুদ্ধে। একজন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী এই বৈঠকের সরাসরি সম্প্রচার করছেন। এটা ঠিক নয়। এই সময় আমাদের সকলকে সচেতন থাকা উচিত।

“মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল বলেন, “ঠিক আছে, এরকম কাজ হবেনা আমি ভবিষ্যতে সতর্ক থাকবো। করোনায় মৃতদের পরিবারগুলির প্রতি আমার সমবেদনা রয়েছে। ‌ যদি আমার তরফে কোন ভুল হয় এবং আমার কথা অসংযত হয় তাহলে আমায় ক্ষমা করবেন। আমি আপনার নির্দেশ গুলি মেনে চলবো।“এর পরে অবশ্য কেজরিওয়ালের দপ্তর থেকে বিবৃতিতে জানানো হয়, “এই বৈঠকের যে সরাসরি সম্প্রচার করা যাবেনা তার স্বপক্ষে কোন লিখিত ও মৌখিক নির্দেশ দেয়নি প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর।”