“ঘুরে দাঁড়াতে এখনো একবছর লাগবে “- জানালো ইয়াসের তান্ডবে বিধ্বস্ত দীঘার হোটেল সংগঠন।

“ঘুরে দাঁড়াতে এখনো একবছর লাগবে “- জানালো ইয়াসের তান্ডবে বিধ্বস্ত দীঘার হোটেল সংগঠন।

নিজস্ব প্রতিবেদন: ইয়াসের তান্ডবে লন্ডভন্ড হয়েছে পূর্ব মেদিনীপুরের বিস্তীর্ণ এলাকা। দীঘা উপকূল সহ তাজপুর, রামনগর, মন্দারমণি, শঙ্করপুর প্রভৃতি জায়গা গুলি যথেষ্ট ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সুন্দরবনের বেশ কিছু অঞ্চলে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি করেছে ইয়াস। সমুদ্র উপকূলবর্তী এলাকাগুলিতে সমুদ্রের জল ঢুকে বন্যার সৃষ্টি করেছে।

কয়েক হাজার মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে ত্রাণ শিবিরে আশ্রয় নিয়েছেন। একের পর এক মাছের ভেড়ি ডুবে গিয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ক্ষেতের ফসল। ঘর ছাড়া মানুষ আশ্রয় নিয়েছেন ত্রাণ শিবিরে।

আরও পড়ুন-করোনার দাপটে এবং ইয়াসের আবহে আগুন পিঁয়াজের বাজারে। মাথায় হাত মধ্যবিত্তের।

গত বুধবার পূর্ব মেদিনীপুরের বিপর্যস্ত এলাকা পরিদর্শনে গিয়েছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় । ‌গত বুধবার তিনি ইয়াসের তাণ্ডবে ক্ষতিগ্রস্ত পূর্ব মেদিনীপুরের বিস্তীর্ণ অঞ্চল পরিদর্শন করেছেন। দীঘা সমুদ্রতট থেকে শুরু করে তাজপুর, মন্দারমণি, রামনগর, উদয়পুর প্রভৃতি এলাকায় তিনি গিয়েছিলেন। বাঙালির সাধের দীঘা উপকূল এখন কার্যত ধ্বংসস্তূপ।

কয়েক বছর আগেই দীঘার উপকূলকে সুন্দর ভাবে সাজিয়ে তুলেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। দীঘার সমুদ্রের কাছেই অবস্থিত হোটেল গুলির দূর্দশা যথেষ্ট শোচনীয়। সুদৃশ্য হোটেল গুলি এখন পুরোপুরি ধ্বংসস্তূপ। ঝড়ের দাপটে ভেঙেছে দরজা জানালা, কাঁচ ভেঙে চুরমার

আরও পড়ুন-নিম্নচাপের হাত ধরেই বাংলার মাটিতে প্রবেশ করতে চলেছে বর্ষা।

হোটেলের সামনের সুদৃশ্য বারান্দা থেকে মার্বেল পর্যন্ত উঠে গিয়েছে। প্রচুর টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে হোকেল মালিকদের। একেই করোনার দাপটে পর্যটক প্রায় নেই বললেই চলে। তার উপরে ইয়াসের তান্ডবে খুবই ক্ষতির মুখে পড়েছে হোটেল গুলি।

হোটেল ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, হোটেলের লন ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এক ধাক্কায় প্রায় দশ বিশ লাখ টাকার‌ও বেশী ক্ষতি হয়ে গিয়েছে। সবকিছু সারিয়ে তুলতে পাঁচ ছয় মাস সময় লাগবেই।দীঘা শঙ্করপুর হোটেলিয়ার্স অ্যাসোসিয়েশন এবং মন্দারমনি হোটেলিয়ার্স অ্যাসোসিয়েশন জানিয়েছে, “রাজ্য এবং কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে হোটেল গুলিকে এই মুহূর্তে কর ছাড় দেওয়ার আবেদন জানানো হবে ।

আরও পড়ুন-মালদায় গঙ্গায় ভেসে এলো দুটি লাশ। সন্দেহ করোনা আক্রান্তের লাশ।

ছন্দে ফিরতে অন্তত একবছর লাগবে।”