“প্রধানমন্ত্রীর মুখে একটা এলপিজি সিলিন্ডার এঁকে দিয়ে দেখবেন দারুন দেখাচ্ছে।”- জনসভা থেকে প্রধানমন্ত্রীকে কটাক্ষ মমতার

“প্রধানমন্ত্রীর মুখে একটা এলপিজি সিলিন্ডার এঁকে দিয়ে দেখবেন দারুন দেখাচ্ছে।”- জনসভা থেকে প্রধানমন্ত্রীকে কটাক্ষ মমতার

নিজস্ব প্রতিবেদন: পায়ে প্লাস্টার, চলাফেরায় ভরসা হুইল চেয়ার। কিন্তু এই প্রতিকূল শারীরিক পরিস্থিতিতেও অদম্য জেদ এবং মানসিক শক্তি কে পাথেয় করে নিজেকে নিয়োজিত করে রেখেছেন প্রচারাভিযানের মধ্যে। রাজ্যে বিজেপি কে প্রতিহত করতে তিনিই একমাত্র ভরসা তৃণমূলের। তৃণমূলের সাংগঠনিক শক্তির অন্যতম চালিকাশক্তি তিনি। তার হাত ধরেই তৃণমূল বহু চড়াই-উৎরাই পেরিয়ে আজ পশ্চিমবঙ্গের তথা ভারতের অন্যতম শক্তিশালী সাংগঠনিক দল।

একুশের ভোটে বিজেপি যখন ছক কষছে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত থেকে নবান্নের সিংহাসন ছিনিয়ে নেওয়ার তখন মুখ্যমন্ত্রীও দাতে দাঁত চেপে লড়াই করে যাচ্ছেন কেন্দ্রীয় শক্তির বিরুদ্ধে। একের পর এক জনসভায় তার ক্ষুরধার এবং শাণিত বাক্যবাণে তিনি ধরাশায়ী করছেন বিজেপি শীর্ষ নেতৃত্বদের।

পাশাপাশি তিনি কঠোর সমালোচনা করছেন সংযুক্ত মোর্চার‌ও।গতকাল দমদমের জনসভা থেকে মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন, “আপনারা জানেন আমরা যেটা করবো বলেছি প্রত্যেকটা করেছি, বিজেপি দেখাক ওদের ম্যানিফেস্টোতে যা বলেছে তা একটাও করেছে কি না ! ১৫ লক্ষ টাকা করে সবার অ্যাকাউন্টে দেবে বলেছিলো। কিন্তু আজ পর্যন্ত দেয়নি। নোটবন্দী করে কতটা কালো টাকা উদ্ধার করলো তার হিসাব দেয়নি আজ পর্যন্ত।

আরও পড়ুন-বাগুইহাটি ভিআইপি ব্রিজের তলায় আগুন লেগে ভস্মীভূত বেশ কয়েকটি গাড়ি

ইলেকশনের সময় বলছে আমরা পাঁচশো টাকায় গ্যাস দেবো, কিন্তু এখন দিচ্ছে হাজার টাকার গ্যাস। নরেন্দ্র মোদীর মুখে একটা এলপিজি সিলিন্ডার এঁকে দিন, দেখবেন দারুন দেখাচ্ছে, স্মার্ট দেখতে লাগবে। হাজার টাকায় গ্যাস, ইলেকশনে ক্যাশ। এর পরে বেলুন ফেটে হবে ধপাস ধপাস। বিজেপি বলছে বাংলায় ডবল ইঞ্জিন করবে , কেন্দ্রে তো ৬ বছর বসে আছে, ডবল ইঞ্জিন কি করেছে? নোটবন্দী করে টাকা ঝেড়েছে, লকডাউন করে মানুষের ভবিষ্যৎ কেড়েছে, ব্যাঙ্ক বন্ধ করেছে।

আজকে রেলের শেয়ার ৭৫% বন্ধ করে দিচ্ছে। সবকিছু বিক্রি করে দিচ্ছে। বিএস‌এন‌এল, এমটিএন‌এল , লাইফ ইন্স্যুরেন্স বিক্রি করে দিচ্ছে। বিজেপি মানুষ খুন করে বলছে চারটে গুলি আরো চালালে ভালো হত। এটা কোনো রাজনৈতিক দলের কথা ? আমরা যারা রাজনীতি করি আমাদের নিজেদের আগে নিয়ন্ত্রণ করা উচিৎ, তবেই মানুষকে সেবা করতে পারবো। বিজেপির নেতাগুলোকে দেখলে লজ্জা লাগে। যারা মানুষকে গুলি করার কথা বলছে তাদের গ্রেপ্তার করা উচিৎ।”