নিউজপলিটিক্সরাজ্য

“দিলীপ ঘোষকে জানিয়ে লাভ হয়নি।”- একদিনে ৩ হাজার বিজেপি নেতা কর্মী যোগদান করলো তৃণমূলে।

নিজস্ব প্রতিবেদন: বিধানসভা ভোটের আগে একটা জল্পনা সৃষ্টি হয়েছিল যে এবারে বাংলা থেকে হয়তো বিদায় নিতে চলেছে তৃণমূল। সেই মত নিজেদের রাজনৈতিক জীবনকে সুরক্ষিত রাখতে অনেক তৃণমূলের প্রভাবশালী নেতা নেত্রীরা নাম লিখিয়েছিলেন বিজেপিতে। কিন্তু নির্বাচনের ফলাফলে দেখা যায় কার্যত ঘুটি উলটে গিয়েছে। আবার বিপুল আসন পেয়ে তৃতীয় বারের জন্য বাংলায় সরকার গঠন করেছে তৃণমূল।

তার সাথে সাথেই আবার দলবদলু নেতা নেত্রীরাও তৃণমূলের দিকে ঝুঁকে পড়েছেন। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে আবেদন করেছেন বেশ কয়েকজন দলবদলু নেতা নেত্রীরা যাতে আবার তাদের তৃণমূলে জায়গা দেওয়া হয়।দলবদলু বেশ কিছু নেতা নেত্রীরা আবার বিজেপির ছত্রছায়া ছেড়ে তৃণমূলে ফিরতে মরিয়া হয়ে উঠেছেন ‌। এদিকে বিজেপি নেতা তথা একসময়ের দাপুটে তৃণমূল নেতা মুকুল রায়ের অবস্থান নিয়েও যথেষ্ট চিন্তিত বিজেপি।

আরও পড়ুন-“যে কোনো মৃত্যুই দূর্ভাগ্যজনক যা ক্ষতিপূরণ দিয়ে পূরণ করা যায়না”- বজ্রপাতে মৃত ব্যক্তিদের পরিবারের সাথে দেখা করে বললেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।

এই আবহের মধ্যে কেতুগ্রামে বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে যোগদান করলেন প্রায় তিন হাজার নেতা কর্মীরা। মন্ডল সভাপতি সহ বিজেপি নেতা কর্মীরা তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে যোগদান করেছেন। এত ভারী সংখ্যায় বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে এত কর্মী সমর্থকরা যোগদান করায় রীতিমতো অস্বস্তিতে পড়েছে বিজেপি।দলত্যাগী বিজেপি নেতা কর্মীরা জানিয়েছেন যে, বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের কাছে তাঁরা তাদের নানান সমস্যার কথা, অসহায় পরিস্থিতি, অভাবের কথা জানিয়েছেন, কিন্তু কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি দলের পক্ষ থেকে।

আরও পড়ুন-বেসুরো নেতাদের সামলানোর জন্য এবার শান্তিরক্ষা কমিটি গড়লেন দিলীপ ঘোষ।

তাই তাঁরা সকলে তৃণমূলে যাচ্ছেন বলে জানিয়েছেন বিক্ষুব্ধ বিজেপি নেতা কর্মীরা।কেতুগ্রাম ১ নম্বর ব্লকের মন্ডল সম্পাদক পিন্টু দাস, আইটি সেলের শীর্ষনেতা বীর প্রধান এবং আরো বেশ কয়েকজন বিজেপির বুথ সভাপতি তৃণমূলে যোগদান করেছেন। দলছুট নেতারা বলেছেন, “রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ কে আমরা কর্মীদের অসহায় অবস্থা সম্পর্কে অবগত করেছিলাম। কিন্তু দলের শীর্ষ নেতারা কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করেননি।

দিলীপ ঘোষ সমস্ত বিবরণ শুনে আমাদের উপদেশ দিয়েছিলেন আমরা যেন অন্য দলে চলে যাই।”

Related Articles

Back to top button