করোনার এই ভয়াবহ আবহে সব বিধি ভুলে ভীড় উপচে পড়ছে মমতা-অমিতের জনসভায়

করোনার এই ভয়াবহ আবহে সব বিধি ভুলে ভীড় উপচে পড়ছে মমতা-অমিতের জনসভায়

নিজস্ব প্রতিবেদন: সারা ভারত জুড়ে মৃত্যুর আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে করোনাভাইরাস। প্রথম পর্যায় থেকে আরও বেশি শক্তি সঞ্চয় করে দেশের মাটিতে আছড়ে পড়েছে এই ভাইরাসের দ্বিতীয় ঢেউ। প্রতিদিন বহু মানুষের মৃত্যু দেখছে দেশবাসী। পশ্চিমবঙ্গের মাটিতেও অব্যাহত রয়েছে মৃত্যু মিছিল। ‌ কিন্তু এর মধ্যেই চলছে একুশের বিধানসভা ভোট। ‌ নির্বাচন কমিশন করোনা বিধি জারি করলেও তা পালিত হচ্ছে না কোনো জনসভাতেই।

যার দরুন নির্বাচন কমিশনকে অত্যন্ত ভর্ৎসনা করেছে কলকাতা হাইকোর্ট।বাংলার মাটিতে বিজেপি এবং তৃণমূলের লাগাতার প্রচার অব্যাহত। ‌ গতকাল সম্পন্ন হয়েছে ষষ্ঠ দফার ভোট । এখনো দুটি দফা বাকি রয়েছে বাংলায়। ভয়াবহ এই আবহে বাম সংযুক্ত মোর্চা জানিয়ে দিয়েছিল তারা আর কোন জনসভা করবে না। সেইমতো বিজেপি এবং তৃণমূলও বলেছিল তারা বড় জনসভার পরিবর্তে ছোট ছোট জনসভা করবে।

আরও পড়ুন-“মুখ্যমন্ত্রী শুধু প্রধানমন্ত্রীকে গালাগালি দেন বাংলার উন্নয়ন নিয়ে তাঁর কোনো চিন্তা নেই।”- মুখ্যমন্ত্রী কে কটাক্ষ করলেন অমিত শাহ

প্রধানমন্ত্রীর জনসভায় ৫০০ জনের বেশি লোক থাকবে না এমনটাই জানিয়েছিল বিজেপি। করোনাকালে জনসভা গুলিতে কখনোই সম্ভব হচ্ছে না নির্দিষ্ট শারীরিক দূরত্ব বিধি মেনে চলার। এই ভয়াবহ আবহে নির্বাচনী প্রচারে আরো বৃদ্ধি পেয়েছে সংক্রমণের মাত্রা।গতকাল আসানসোলে মুখ্যমন্ত্রীর জনসভায় দেখা গেল জনসভায় উপস্থিত অনেকের মুখেই মাস্ক নেই। ভিড়ে ঠাসা ঠাসি অবস্থা। ঠিক একই চিত্র অঙ্কিত হয়েছে মালদায় অমিত শাহের জনসভায়। ‌

সেখানে অমিত শাহ উপস্থিত না থাকলেও বিজেপি নেতা সায়ন্তন বসু জনসভা চালিয়ে গিয়েছেন। ‌ সেখানে দেখা গেল ৫০০ জন নামেই , সমগ্র জনসভায় কাতারে কাতারে লোক, অনেকের মুখেই মাস্ক নেই, আর দূরত্ব বিধি তো কল্পনামাত্র!অনেকেই দূরত্ব বিধি মেনে চলছেন না, আবার হঠাৎ করে মিডিয়াকে সামনে দেখে অনেকেই নিজের জামা কাপড় দিয়ে মুখ ঢাকছেন, অবান্তর বাহানা দিচ্ছেন।নির্বাচন কমিশন সপ্তম এবং অষ্টম দফার ভোটে করোনা আবহে আরো কড়াকড়ি করেছে। এবার দেখা যাক এই দুটি দফা ভোটের আগে নির্বাচনী প্রচারে কতটা লাগাম টানা যায়।