নিউজ

তীব্র সমালোচনার মুখে পড়ে অবশেষে কোভিশিল্ডের দাম কমালো সিরাম ইনস্টিটিউট

নিজস্ব প্রতিবেদন: সারা দেশ জুড়ে প্রবল শক্তি সঞ্চয় করে আছড়ে পড়েছে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ। লাফিয়ে বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা। সারাদেশব্যাপী এক ভয়াবহ মৃত্যুর আতঙ্কের সূচনা হয়েছে। সারা দেশের মধ্যে এই মহামারীতে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে অগুনতি মানুষের। মহারাষ্ট্রের অবস্থা সবথেকে শোচনীয়। মহারাষ্ট্র এবং দিল্লিতে জারি হয়েছে সাময়িক লকডাউন। দিল্লি, পশ্চিমবঙ্গ, মহারাষ্ট্রের অবস্থা যথেষ্ট শোচনীয়। সারা জুড়ে সরকারি হাসপাতাল গুলোতে অক্সিজেন সিলিন্ডারের অপ্রতুলতা দেখা দিয়েছে। অক্সিজেনের হাহাকার দেখা দিচ্ছে বিভিন্ন হাসপাতালে।

জরুরী ভিত্তিতে হাসপাতাল গুলিতে অতিরিক্ত বেডের ব্যবস্থা করছে প্রশাসন। এক ভয়াবহ পরিস্থিতি বিরাজ করছে দেশের বুকে। সঙ্কটজনক পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে অক্সিজেনের অপ্রতুলতা কে কেন্দ্র করে। পশ্চিমবঙ্গ, দিল্লি, লক্ষ্ণৌ, মহারাষ্ট্র সহ দেশের অনেক জায়গাতেই অক্সিজেনের যোগানের অত্যন্ত সমস্যা দেখা দিয়েছে । দিল্লি, লক্ষ্ণৌ এর হাসপাতাল গুলিতে বীভৎস পরিবেশ বিরাজ করছে। তার ওপর যথেষ্ট পরিমাণে মজুত নেই ভ্যাকসিন।

আরও পড়ুন-করোনা আক্রান্ত হলেন অভিনেতা তাপস পালের অত্যন্ত কাছের মানুষ।

ভ্যাকসিনের জন্য হন্যে হয়ে ঘুরছে মানুষজন। কেন্দ্রীয় সরকার ঘোষণা করেছিল যে ভ্যাকসিন উৎপাদনকারী সংস্থাগুলো খোলাবাজারে তাদের ভ্যাকসিন বিক্রি করতে পারবে। যার ফলে কিছুটা স্বস্তি পেয়েছিলেন মানুষজন।কিন্তু খোলাবাজারে এই ভ্যাকসিনের অতিরিক্ত মূল্য ধার্য করেছে সিরাম ইনস্টিটিউট। আগামী ১ লা মে থেকে ১৮ বছরের বেশি বয়সী দের টিকাকরণ শুরু হতে চলেছে। সিরাম ইনস্টিটিউট জানিয়েছিল তারা কেন্দ্রকে এই ভ্যাকসিন ডোজ প্রতি ১৫০ টাকা এবং রাজ্য এবং বেসরকারি হাসপাতালগুলো থেকে ৪০০ টাকা এবং ৬০০ টাকা নেবে।

ভারত বায়োটেকের তৈরি ভ্যাকসিনের দাম ঠিক করা হয় কেন্দ্রের জন্য ৬০০ টাকা এবং রাজ্যের জন্য ১২০০ টাকা। তারপর ভারতের সাধারণ জনগণ থেকে শুরু করে বিদ্বজনেরা ভ্যাকসিনের দাম নিয়ে প্রবল সমালোচনা করতে শুরু করেন। দেশজুড়ে সমালোচনার মুখে পড়ে সিরাম ইনস্টিটিউটের সিইও আদার পুণাওয়ালা ঘোষণা করেছেন যে শীঘ্রই তারা দাম কমাবে তাদের ভ্যাকসিনের।

তিনি টুইটারে লিখেছেন, “সিরাম ইনস্টিটিউট সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে রাজ্যগুলির জন্য ভ্যাকসিন এর প্রতিটি ডোজের দাম ৪০০ টাকা থেকে কমিয়ে ৩০০ টাকা করা হচ্ছে। মানুষের প্রাণ রক্ষা পাবে এবং এর ফলে টিকাকরণের বিষয়টিও বৃদ্ধি পাবে। এটা আমাদের জনহিতৈষী কাজের অন্যতম অঙ্গ।”

Related Articles

Back to top button