নৈহাটিতে বিজেপি কর্মীকে গুলি করে চপার দিয়ে কোপানো হল। বর্বর এই ঘটনায় অভিযোগের আঙ্গুল তৃণমূলের বিরুদ্ধে

নৈহাটিতে বিজেপি কর্মীকে গুলি করে চপার দিয়ে কোপানো হল। বর্বর এই ঘটনায় অভিযোগের আঙ্গুল তৃণমূলের বিরুদ্ধে

নিজস্ব প্রতিবেদন: একুশের ভোটে হিংসা হানাহানি অব্যাহত রাজ্যের দিকে দিকে। প্রথম দফার ভোট শান্তিপূর্ণভাবে মিটলেও, দ্বিতীয় দফা থেকে নন্দীগ্রামে এবং রাজ্যের আরো বিভিন্ন প্রান্তে যথেষ্ট হিংসা-হানাহানি ঘটনা দেখা যাচ্ছে। ‌ সবথেকে চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে কোচবিহারের শীতলকুচি তে। কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদের আক্রমণ করার চেষ্টা করায় জ‌ওয়ানদের গুলিতে প্রাণ গিয়েছে ৪ জন তৃণমূল সমর্থক এর।

আবার ওই বুথেই ভোট চলাকালীন তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে বোমা এবং গুলি ছোঁড়ার অভিযোগ উঠেছে । তাদের গুলির আঘাতে মারা গিয়েছেন আনন্দ বর্মন নামক এক ভোটার। আরামবাগ থেকে শুরু করে খানাকুল এবং রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় হিংসা হানাহানির ঘটনা ঘটেছে। ভোটের এই আবহে তীব্র হয়েছে বিজেপি এবং তৃণমূলের মধ্যে রাজনৈতিক তরজা। দুই শক্তিশালী রাজনৈতিক দলের দ্বৈরথে টানটান উত্তেজনা বাংলার বুকে।

আরও পড়ুন-আত্মরক্ষার তাগিদে গুলি চালিয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনী।”- ছবি প্রকাশ করে দাবি করলেন শুভেন্দু অধিকারী

এদিকে এক বিজেপি কর্মীকে গুলি করে, চপার দিয়ে কোপানোর অভিযোগ উঠেছে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। জানা গিয়েছে ওই বিজেপি কর্মীর নাম মিঠুন পাসোয়ান। গতকাল তিনি একটি পূজার অনুষ্ঠান থেকে বাড়ি ফিরছিলেন। ওই সময় তাকে ঘিরে ধরে প্রায় জনা পঞ্চাশেক ব্যক্তি। ‌ তারপর তার শরীর লক্ষ্য করে গুলি চালায় ওই দুষ্কৃতীরা। মৃত্যু নিশ্চিত করতে মাথায় চপার দিয়ে এলোপাথাড়ি কোপ মারা হয়। রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে লুটিয়ে পড়ে মিঠুন।

আরও পড়ুন-ময়ূরেশ্বরে বিজেপি বুথ সভাপতির বাড়ির পাশে উদ্ধার ড্রাম ভর্তি তাজা বোমা। প্রবল চাঞ্চল্য এলাকায়।

এলাকাবাসী তাকে উদ্ধার করে নৈহাটি স্টেট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে। ‌ কিন্তু অবস্থার আরো অবনতি হওয়ায় তাকে নিয়ে যাওয়া হয় জওহরলাল নেহেরু হাসপাতালে। তার অবস্থায় এখনো সংকটজনক বলে জানা গিয়েছে।এই ঘটনায় প্রবল অসন্তোষ প্রকাশ করেছে স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্ব। ‌ বিজেপি জানিয়েছে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের ঘটনার সাথে যুক্ত, তারা এই ঘটনায় নির্বাচন কমিশনের কাছে অভিযোগ দায়ের করবে।