নিউজঅফবিটকলকাতা

কলকাতায় পোস্তর কিলোপ্রতি দর ২৪০০ টাকা। মাথায় হাত মধ্যবিত্তর।

নিজস্ব প্রতিবেদন: বাঙালির পাতে পোস্ত না হলে বাঙালির মধ্যাহ্নভোজ থাকে অসম্পূর্ণ। পোস্তর বড়া, আলু পোস্ত, ঝিঙে পোস্ত সহ নানান পোস্তর পদ বাঙালির অত্যন্ত প্রিয়। কিন্তু বর্তমানে পোস্তর অগ্নিমূল্যে পাতে পোস্তকে রাখা রীতিমতো দায় হয়ে উঠেছে আপামর বাঙালির। শহরে এবং রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে রীতিমতো আগুন লেগে গিয়েছে পোস্তর দামে।

যার দরুণ মধ্যবিত্তরা এবং নিম্নবিত্তরা পোস্ত পাতে পাড়া টাকে কার্যত অলীক কল্পনা হিসাবে দেখছেন। করোনা আবহে এমনিতেই বহু জিনিসপত্রের দাম বেড়ে গিয়েছে দ্বিগুণ। তার উপর বাজারে অগ্নিমূল্য পেট্রোল , ডিজেল। পেট্রোলের লিটার প্রতি মূল্য পেরিয়ে গিয়েছে ১০২ টাকা।

আরও পড়ুন-৪৫ টাকায় আনলিমিটেড কল এবং ১০ জিবি ডেটা দিয়ে জিওকে টক্কর দিতে চলেছে বিএসএনএল

ডিজেলের অতিক্রম করেছে ৯৩ টাকা। যার ফলে আমদানিকৃত খাদ্যশস্য সহ অন্যান্য জিনিসের দাম বেড়েছে মারাত্মক হারে। এর ফলে এই করোনা আবহে নিম্নবিত্ত এবং মধ্যবিত্তদের নাভিশ্বাস উঠেছে সংসার চালাতে গিয়ে।আজ কলকাতার বিভিন্ন জায়গায় দেখা গিয়েছে কেজিপ্রতি পোস্ত বিকোচ্ছে ২৪০০ টাকায়।

এতটাই আগুন লেগেছে পোস্তর দামে। বাঙালির কাছে পোস্ত এখন মহার্ঘ্য এক বস্তু। সাধের পোস্ত এখন নাগালের বাইরে।ব্যবসায়ীরা বলেছেন যে রাজ্যে প্রতি মাসে গড়ে ৪০ মেট্রিকটন পোস্তর চাহিদা দেখা যায় ।

আরও পড়ুন-আগামী ২৪ শে জুলাই গুরু পূর্ণিমা উপলক্ষে একদিনের জন্য খোলা থাকবে বেলুড় মঠের দরজা।

কিন্তু পশ্চিমবঙ্গের কোথাও পোস্তর চাষ হয়না। তাই ৬৫% পোস্ত বাইরের রাজ্য থেকে আমদানি করতে হয় এবং বাইরের দেশ থেকে ৩৫% পোস্ত আমদানি করা হয়। করোনার এই ভয়াবহ পরিস্থিতিতে বাইরের দেশ থেকে পোস্তর আমদানি বন্ধ রয়েছে। যার দরুণ পোস্তর এই অগ্নিমূল্য।

তার উপরে পেট্রোল ডিজেলের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় বাইরের রাজ্য থেকেও মোটা টাকা দিয়ে পোস্ত আমদানি করা হচ্ছে বাংলায়। তাই কার্যত পোস্ততে হাত দিতে পারছেন না মধ্যবিত্তরা।

Related Articles

Back to top button