মাত্র ৭ দিনে ভেঙে পড়ল বাংলার পথশ্রী প্রকল্পের তৈরি রাস্তা। ক্ষোভ প্রকাশ করে বাকি থাকা কাজ বন্ধ করে দিলো স্থানীয় মানুষজন।

মাত্র ৭ দিনে ভেঙে পড়ল বাংলার পথশ্রী প্রকল্পের তৈরি রাস্তা। ক্ষোভ প্রকাশ করে বাকি থাকা কাজ বন্ধ করে দিলো স্থানীয় মানুষজন।

নিজস্ব প্রতিবেদন: গতকাল নবান্নের বৈঠকে সেচ দপ্তরকে ইয়াস পরবর্তী পরিস্থিতি নিয়ে একহাত নিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেছেন,দীঘায় যথাযথ পরিকল্পনা রূপায়ণ করতে হবে। সাড়ে তিন কিলোমিটার দুটি রাস্তার মাঝে শেষ দপ্তরের ব্রিজ রয়েছে যেটা ৪ থেকে ৫ বছর ধরে পড়ে রয়েছে। সমুদ্র সৈকতের রাস্তায় পাথর গুলো ভালো ভাবে লাগানো হয়নি। পুরো কাজটাই ভুল করা হয়েছে। চিফ ইঞ্জিনিয়ার কে দায়িত্ব নিয়ে এটা মেরামত করা দরকার। প্রতি বছর বাঁধ সারানো হচ্ছে আর প্রতিবছর ঝড় আসছে আর জলের মতো টাকা চলে যাচ্ছে ।

ইঞ্জিনিয়ার ভালো কাজ করে থাকেন কিন্তু টিম লিডারদের গাফিলতি থাকলে কাজে অগ্রগতি হয়না। অফিসার বা কর্মীরা কেউ খারাপ নন। তাদের মুখ বন্ধ করে দেওয়ার চক্রান্ত হতে পারে।’ রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় বাঁধ এবং রাস্তা তৈরিতে গাফিলতি রয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী।এবার এরকমই একটি গাফিলতির অভিযোগ উঠলো মালদার মানিকচক মথুরাপুরের অন্তর্গত বাজারপাড়া গ্রামে। সেখানে পথশ্রী প্রকল্পের আওতায় মথুরাপুর বাজারপাড়া মোড় থেকে মানিকচক ডেলি মার্কেট পর্যন্ত প্রায় সাড়ে ৪ কিলোমিটার দৈর্ঘ্য বিশিষ্ট রাস্তা তৈরির কাজ শুরু হয়েছিলো।

আরও পড়ুন-আগামী ১৫ ই জুন থেকে শুরু হবে বড়োবাজারের পোস্তায় উড়ালপুল ভাঙার কাজ।

এর মধ্যে ১২০০ মিটার রাস্তা হবে ঢালাই এবং বাকিটা হবে পিচের এমনটাই জানা গিয়েছিল। কিন্তু মাত্র ৭ দিনেই ঢালাই রাস্তার বেশ কিছু অংশ ভেঙে পড়ায় ক্ষোভে ফেটে পড়ে রাস্তার বাকি কাজ বন্ধ করে দিয়েছেন বাসিন্দারা। এই সাড়ে তিন কোটি টাকা প্রোজেক্টে অত্যন্ত নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহৃত হচ্ছে এই অভিযোগে তাঁরা রাস্তার কাজ বন্ধ করে দিয়েছেন। নির্মাণকারী সংস্থার ম্যানেজার নারায়ণ চৌধুরী জানিয়েছেন যে, ‘আগামী দিনে উন্নত মানের মালপত্র দিয়ে কাজ শুরু করে দেওয়া হবে।’