“বেসুরো ন‌ই আমি।”- চাপের মুখে সাফাই দিলেন সৌমিত্র খাঁ।

“বেসুরো ন‌ই আমি।”- চাপের মুখে সাফাই দিলেন সৌমিত্র খাঁ।

নিজস্ব প্রতিবেদন: একুশের ভোটের আগে রাজ্যে পালাবদলের ইঙ্গিত পেয়ে তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে আশ্রয় নিয়েছিলেন বেশ কিছু তৃণমূল নেতা নেত্রীরা। তারাই আবার তৃণমূলের জয়লাভের পর ১৮০ ডিগ্রি ঘুরে গিয়ে তৃণমূলে ফিরতে চাইছেন। দলবদলু বেশ কিছু নেতা নেত্রীরা আবার বিজেপির ছত্রছায়া ছেড়ে তৃণমূলে ফিরতে মরিয়া হয়ে উঠেছেন ‌। তৃণমূলের ফিরেছে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কে চিঠি লিখেছেন প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক সোনালী গুহ, প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক দীপেন্দু বিশ্বাস সহ আরো বেশ কয়েকজন বিজেপি নেতা নেত্রীরা।

এদিকে বিজেপি নেতা তথা একসময়ের দাপুটে তৃণমূল নেতা মুকুল রায়ের অবস্থান নিয়েও যথেষ্ট চিন্তিত বিজেপি। এরই মধ্যে আরেকটি ঘটনায় শুরু হয়েছে ব্যাপক জল্পনা বিজেপি সাংসদ সৌমিত্র খাঁ কে কেন্দ্র করে। ২০১৯ সালে লোকসভা নির্বাচনে সৌমিত্র খাঁ বিজেপি থেকে জিতে বিজেপি সাংসদ পদে অধিষ্ঠিত হয়েছিলেন। হঠাৎ করে তিনি বিজেপি একটি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ ছেড়ে বেরিয়ে যান।

আরও পড়ুন-রাজ্যে ভোট পরবর্তী হিংসার প্রসঙ্গে টুইট করলেন রাজ্যপাল। মোক্ষম জবাব দিলেন কুণাল ঘোষ।

তারপরেই দলের মধ্যে জল্পনা শুরু হয়েছে তার অবস্থানকে ঘিরে। এছাড়াও বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের ডাকা বৈঠকেও হাজির হননি সৌমিত্র খাঁ। এমনিতেই একুশের ভোটের ফলাফল প্রকাশের পর থেকেই রাজনৈতিক ময়দানে তাকে ততটা দেখা যায়নি। এই প্রসঙ্গে সৌমিত্র খাঁ বলেছেন, “আমার এখন বিজেপি ছেড়ে দেওয়ার কোনো সম্ভাবনা নেই।

আরও পড়ুন-মুকুল রায়ের বাড়িতে হঠাৎ উপস্থিত সৌমিত্র খাঁ। শুরু হল জল্পনা।

প্রতিদিন বিজেপি অজস্র গ্রুপ তৈরি হয় তারই মধ্যে একটি গ্রুপ থেকে বেরিয়ে গিয়েছি। আমি অনেক দ্বায়িত্ব কাঁধে নিয়ে কাজ করছি। আমার নেতৃত্বে বিষ্ণুপুরে অনেক শান্তি রয়েছে। অনেকেই এখন দল বদলাতে চাইছেন, আমি কিন্তু দলের বিশ্বস্ত একজন সৈনিকের মতোই থাকবো।

আরও পড়ুন-কোচবিহারে বিজেপির পঞ্চায়েত সদস্যরা যোগ দিলেন তৃণমূলের।

“এছাড়াও বৈঠকে না যাওয়ার কারণ প্রসঙ্গে তিনি বলেছেন, “আগামী ১৫ ই জুন পর্যন্ত বাংলায় মিটিং মিছিল বন্ধ রয়েছে। তাই আমি বৈঠকে যাইনি। আমি বেসুরো হ‌ইনি।“অথচ এই বিধিনিষেধের মধ্যেই মুকুল রায়ের সাথে সল্টলেকের বাড়িতে দেখা করেছেন সৌমিত্র খাঁ।