নিউজ

“পরে খাবার খাবো”- কর্তব্যে অবিচল অক্সিজেন প্ল্যান্টের কর্মী। সম্মান জানাচ্ছে সারা দেশ

নিজস্ব প্রতিবেদন: সারা দেশজুড়ে মারাত্মক আকার ধারণ করেছে করোনা ভাইরাস। এই ভাইরাসের শিকার হয়ে দিনের পর দিন মৃত্যুর মুখে পড়ছেন অসংখ্য মানুষ। জায়গায় জায়গায় দেখা দিয়েছে অক্সিজেনের অপ্রতুলতা। সারা দেশবাসীকে টিকা দেওয়ার মতো এখনও যথেষ্ট ভ্যাকসিনের জোগান নেই। প্রতিটি মানুষ হাপিত্যেশ করে বসে আছেন জীবনদায়ী ভ্যাকসিন এর জন্য। হাসপাতাল থেকে ভ্যাকসিন নিতে গিয়ে ফিরে আসছেন মানুষজন। আবার বিভিন্ন হাসপাতালে অক্সিজেনের অভাবে শেষ হয়ে যাচ্ছেন অসহায় করোনা রোগীরা।

এই মহামারী প্রাণ কেড়ে নিচ্ছে অসহায় মানুষগুলোর। দেশে অক্সিজেনের অভাব দূর করতে এগিয়ে এসেছেন বহু মানুষ। এই দুর্দিনে মানুষের কাছে ভগবান হয়ে উঠেছেন তারাই যারা নিরন্তর নিজেদের জীবন বাজি রেখে করোনার বিরুদ্ধে লড়াই করছেন। তারা হলেন ডাক্তার এবং অন্যান্য স্বাস্থ্যকর্মীরা। বিশেষ করে ডাক্তার এবং নার্সরা নিরন্তর অসহ্য গরম উপেক্ষা করে পিপিই কিট পরে দাঁতে দাঁত চেপে লড়াই করে চলেছেন করোনার বিরুদ্ধে।

আরও পড়ুন-নন্দীগ্রামে এগিয়ে কে ? শুভেন্দু না মমতা ? কি বলছে এক্সিট পোল?

আবার এমন‌ও অনেক মানুষ রয়েছেন যাদের দিনরাত পরিশ্রমের ফলে অক্সিজেন পাচ্ছেন করোনা রোগীরা।অক্সিজেনের প্ল্যান্টে দিনরাত হাড়ভাঙা পরিশ্রম করা কর্মীরাও করোনা যোদ্ধাদের মধ্যে অন্যতম। চলমান অক্সিজেন প্ল্যান্ট নিরন্তর কর্তব্য পালন করে চলেছেন কর্মীরা। এমনকি তাঁরা সময় মতো খাওয়ার সুযোগ টুকুও ব্যায় করছেন না। তিন শিফটে আট থেকে নয় ঘন্টা ধরে কাজ করছেন তাঁরা।

শিল্পের জন্য অক্সিজেন উৎপাদন করা বন্ধ হয়ে এখন শুধুমাত্র মেডিকেল অক্সিজেন উৎপন্ন হচ্ছে প্ল্যান্ট গুলিতে। বেশির ভাগ অক্সিজেন উৎপন্ন হচ্ছে বোকারো এবং ভিলাই স্টিল প্ল্যান্টের অক্সিজেন উৎপাদন কেন্দ্রে । ওই প্ল্যান্ট গুলিতে দেখা গিয়েছে নাগাড়ে কাজ করে চলেছেন কর্মচারীরা। টিফিন হলেও খেতে যাচ্ছেন না অনেকেই।

একজন কর্মচারী বলছেন যে, “দেশের এই ভয়াবহ পরিস্থিতিতে আমরা যদি মানুষের কাছে না থাকে তাহলে আর কে থাকবে ?” আরেকজন কর্মচারী দৃঢ় কণ্ঠে বললেন, “এটাই আমাদের সুযোগ দেশের সেবা করার, আমাদের কাজ শেষ হয়ে গেলে খেয়ে নেব।”অক্সিজেন প্ল্যান্টের কর্মীদের এই লড়াই কে স্যালুট জানাচ্ছে সারা দেশবাসী।

Related Articles

Back to top button