নিউজপলিটিক্সরাজ্য

“টিকা পেতে গেলে রাজ্য সরকারের ত্রাণ তহবিলে দিতে হবে চাঁদা”- এমন‌ই নাকি ফরমান জারি প্রশাসনের । জেনে নিন সত্য

নিজস্ব প্রতিবেদন: মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আগেই ঘোষণা করেছিলেন যে তিনি সমস্ত রাজ্যবাসীকে বিনামূল্যে টিকা দেবেন। মুখ্যমন্ত্রী কেন্দ্রীয় সরকারকে একহাত নিয়েছিলেন যখন কেন্দ্রীয় সরকার এই টীকা রাজ্যগুলিকে কিনতে বলেছিলো। পরবর্তী সময়ে অবশ্য কেন্দ্রীয় সরকার ঘোষণা করেছে যে সমস্ত রাজ্যগুলিকে বিনামূল্যে টিকা দেওয়া হবে। পশ্চিমবঙ্গে বর্তমানে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ১৪ লক্ষ ৯৪ হাজার ৯৪৯ জন।

মৃত্যু হয়েছে ১৭ হাজার ৬১২ জনের। সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১৪ লক্ষ ৫৫ হাজার ৪৫৩ জন।এই পরিস্থিতিতে একটা চাঞ্চল্যকর খবর উঠে এসেছে শিলিগুড়ির বুক থেকে। জানা গিয়েছে টাকার বিনিময়ে টিকা দেওয়ার অভিযোগ উঠে এসেছে।

আরও পড়ুন-তৃণমূলের চাণক্য মুকুল রায় ফিরতেই বড়োসড়ো পরিবর্তন হতে চলেছে তৃণমূলের।

রাজ্য সরকারের ত্রাণ তহবিলে ৩১৫ টাকা যদি জমা না দেওয়া হয় তাহলে টীকা দেওয়া হবে না। শিলিগুড়ির বণিকসভা পর্যটন ব্যবসা এবং ক্ষুদ্র শিল্প , এছাড়াও বিভিন্ন সংগঠন থেকে এই মর্মে অভিযোগ জমা পড়েছে ‌ । ঐ সংগঠনগুলি বহু কর্মীরা দাবি করছে রাজ্য সরকারের ত্রাণ তহবিলে ৩১৫ টাকা জমা করার পরেই পাওয়া যাচ্ছে করোনার ভ্যাকসিন। কিন্তু এই অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন উত্তরবঙ্গ ইন্ডাস্ট্রিজ অ্যাসোসিয়েশন এর সম্পাদক সুরজিৎ রায়।

আরও পড়ুন-“দীঘায় হতে চলেছে মেরিন ড্রাইভ, হাউসবোট, এবং আরো অন্যান্য আকর্ষণ”- বললেন পর্যটনমন্ত্রী

তিনি বলেছেন, “জোর করে কারোর থেকে ত্রাণ তহবিলের চাঁদা নেওয়া হচ্ছে না। যারা এই চাঁদা দিয়েছেন তারা স্বেচ্ছায় এই চাঁদা দিয়েছেন। জোর করে চাঁদা নিয়ে তার বিনিময়ে টীকা দেওয়ার অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা।”বেশকিছু মানুষজন দাবি করেছেন যে যারা স্বেচ্ছায় টাকা দেবেন বলছেন, তাদেরকেও নির্দিষ্ট টাকার অংক বলে দেওয়া হচ্ছে।

আর কোনরকম চাঁদা না দিলে দেওয়া হচ্ছে না ভ্যাকসিন। এর ফলে সমাজের বিভিন্ন স্তরে যথেষ্ট ক্ষোভের সঞ্চার হয়েছে। সকলেই রাজ্যের দেওয়া বিনামূল্যে ভ্যাকসিন এর পরিবর্তে টাকা দেওয়ার বিষয়টি নিয়ে যথেষ্ট বিক্ষোভ দেখিয়েছেন।

Related Articles

Back to top button