নিউজঅফবিট

বাজারে মাছ কেনার সময় ঠকতে না চাইলে জেনে নিন দুর্দান্ত ট্রিক্স!

নিজস্ব প্রতিবেদন :- ধরুন আপনি বাজারে মাছ কিনতে গেলেন। আপনার একটা মাছ খুব পছন্দ হলো এবং সেই মাছটি আপনার খুব প্রিয় মাছ। কিন্তু দেখা গেল যে সেই মাছ পচা। বাইরে থেকে বোঝা যাচ্ছে না। কারণ বিভিন্ন রং করে সেটাকে টাটকা দেখানোর চেষ্টা করানো হচ্ছে মাছ ব্যবসায়ী। কিন্তু কীভাবে আপনি বুঝতে পারবেন যে আপনার পছন্দের মাছটি টাটকা নাকি বাসি। তা জানার বেশ কয়েকটি নিয়ম রয়েছে তার মধ্যে কিছু নিয়ম আমরা এই প্রতিবেদনে তুলে ধরলাম।

প্রথমত টাটকা মাছের চোখ স্বচ্ছ হয় এবং মনে হয় যে মাছটি এখনো পর্যন্ত জ্যান্ত রয়েছে। পচা মাছের ক্ষেত্রে চোখ ঘোলাটে হয়। বিভিন্ন অসাধু ব্যবসায়ীরা মাছের মধ্যে ফরমালিন দিয়ে রাখে। এতে মাছের শরীরের অংশ পছন্দ না ঠিক কথাই কিন্তু চোখের ফোলাভাব বা স্বচ্ছতাকে এরা আটকাতে পারেনা ফরমালিন দিয়ে।

মাছের কানকো দেখাটা টাটকা মাছ চেনার একটা ভালো উপায়। যদিও মাছের কানকোতে এখন রঙ মিশিয়ে রাখেন দোকানিরা। তাই শুধু কানকো দেখে মাছ কিনবেন না। জে’নে রাখু’ন, টাটকা মাছের কানকো হবে তাজা র’ক্তের রঙের এবং পিচ্ছিল, স্লাইমি ভাব থাকবে।

বাজারে কে’টে ভাগা দেওয়া মাছ কিনবেন? ভালো করে লক্ষ্য করুন মাছের আশেপাশে কোন সাদা বা ফ্যাকাশে রঙের জল আছে কিনা। যদি থাকে, বুঝবেন মাছ ভালো নয়। টাটকা মাছের আশেপাশে স্বচ্ছ জল থাকবে।

টাটকা মাছের শরীর কখনোই শক্ত বা নরম হবে না বরং বাউন্সি হবে। অর্থাৎ তুলতুলে হবে। আঙ্গুল দিয়ে পেটের মধ্যে চাপ প্রয়োগ করলে যদি শরীর শক্ত অনুভব হয় তাহলে বুঝবেন সেই মাছ ফ্রিজে রাখা ছিল এবং মাছটি বাঁশি।

জিয়ল মাছ যেমন শিং, মাগুর, শোল ইত্যাদি কিনতে গেলেও সা’বধান। আজকাল দোকানিরা ম’রা জিয়ল মাছকেও টাটকা বলে ধ’রিয়ে দেন। জিয়ল মাছ যদি ট্রের মধ্যে ছটফট করে তাহলে সেই মাছ কিনুন। আগে থেকে বের করে ট্রে-তে সাজিয়ে রাখা মাছ নয়।

টাটকা মাছের গন্ধ হবে সমুদ্র জলের মতন। এমনকি শসার মতন হতে পারে। যে সমস্ত মাছ থেকে এখানে গন্ধ বেরোচ্ছে না নিশ্চিত থাকুন যে সমস্ত মাছ টাকানা নয়।

চিংড়ি মাছের ক্ষেত্রে কিন্তু পদ্ধতি ভিন্ন। যদি চিংড়ী মাছের খোসা শক্ত আর ক্রিসপি থাকে, তাহলে মাছ তাজা। যদি খোসা নরম আর নেতিয়ে পড়া হয়, তাহলে মাছ ভালো নয়।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button