নিউজপলিটিক্সরাজ্য

মুখ্যমন্ত্রী না থাকলে ঘাটালে আরও বড় ক্ষতি হতো। শুভেন্দু মিথ্যা কথা বলছেন”- দাবি করলেন সেচমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদন: ঘাটালের ভয়াবহ বন্যা পরিস্থগতিতে ডিভিসিকে দোষারোপ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেছেন যে ডিভিসি পরিকল্পনাহীন ভাবে জল ছাড়ায় এই বন্যার সৃষ্টি হয়েছে। এই মন্তব্যের উত্তর দিয়েছে ডিভিসি। ডিভিসি জানিয়েছে যে, “শুধুমাত্র জল ছাড়ার কারণে এই বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়নি।

টানা বৃষ্টির ফলে দক্ষিণবঙ্গের নদীগুলিতে ব্যাপক জলের পরিমাণ বেড়ে গিয়েছে। এর পাশাপাশি মাইথন, পাঞ্চেত জলাধারে ড্রেজিংয়ের দরকার বলে জানিয়েছে ডিভিসি। এছাড়াও ডিভিসি জানিয়েছে জল ছাড়তে হবে কতটা পরিমাণে সেটা ঠিক করে ডিভিসির একটি কমিটি। এই কমিটিই জল ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেয়।”

আরও পড়ুন-ক্যামাক স্ট্রিটে অভিষেকের সাথে সাক্ষাৎ করলেন রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়। শীঘ্রই কি প্রত্যাবর্তন তৃণমূলে?

এদিকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্যের বিরোধিতা করে প্রধানমন্ত্রীকে পাল্টা চিঠি লিখেছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।জানা গিয়েছে শুভেন্দু অধিকারী এই মর্মে চিঠি দেওয়ার বিষয়টি বিজেপির দলীয় কর্মসূচিতে ঘোষণা করেছিলেন। ওই কর্মসূচিতে শুভেন্দু জানিয়েছিলেন যে,”আমি রাজ্যে বেশ কয়েক বছর সেচমন্ত্রী পদে আসীন ছিলাম । ওখানকার সমস্ত কাজকর্ম আমি জানি।

চিফ ইঞ্জিনিয়াররা ওই কমিটিতে রয়েছেন । এই বন্যা পরিস্থিতির জন্য ডিভিসিকে কোনভাবেই দোষ দেওয়া যায় না। তারা আগে থাকতেই জল ছাড়ার পরিপ্রেক্ষিতে রাজ্য প্রশাসনকে সর্তকতা দিয়েছিল।‌ ডিভিসির স্টেকহোল্ডার তো রাজ্য সরকার‌ও।

আরও পড়ুন-“বিজেপি স্বমহিমায় প্রতিষ্ঠিত হবে।”- মুখ ফসকে চাঞ্চল্যকর মন্তব্য মুকুল রায়ের

এদিকে কলকাতায় দুয়ারে নর্দমা প্রকল্প চালু হয়েছে যার জন্য শুধুমাত্র মুখ্যমন্ত্রীই দায়ী।”এবার শুভেন্দুর এই বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে তাঁকে একহাত নিয়েছেন রাজ্যের সেচমন্ত্রী সৌমেন মহাপাত্র। তিনি দাবি করেছেন যে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী মিথ্যা কথা বলছেন। সৌমেন মহাপাত্র বলেছেন,”প্রথম মন্ত্রিসভায় আমি দু মাসের জন্য সেচ দপ্তরের দায়িত্বে আসীন ছিলাম।

ওই সময়ে ঘাটাল মাস্টারপ্ল্যানের পরিপ্রেক্ষিতে আমি দিল্লিতে গিয়ে আলোচনা করেছিলাম তখন স্থির হয়েছিল যে এই মাস্টারপ্ল্যান রূপায়নে কেন্দ্রীয় এবং রাজ্য সরকার দুই পক্ষ ৫০% করে অর্থ দেবে। কিন্তু তা সত্বেও ঘাটাল মাস্টারপ্ল্যান বাস্তবে পর্যবসিত হয় নি। বিরোধী দলনেতা সম্পূর্ণ মিথ্যা কথা বলছেন। উনি নিজেই সেচ দপ্তরের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী ছিলেন।

আরও পড়ুন-“বাংলায় করোনার সংক্রমণ বাড়ানোর চক্রান্ত হচ্ছে”- ভ্যাকসিন যোগানের অপ্রতুলতায় মন্তব্য ফিরহাদের

উনি এই দপ্তরের সমস্ত কিছু ভালোভাবে জানেন। কিন্তু তাকে এখন শীর্ষনেতাদের সন্তুষ্ট করতে হবে, দলে প্রতিপত্তি রাখতে হবে , তাই তিনি সমানে মিথ্যা কথা বলে যাচ্ছেন। আজ মনে রাখা দরকার মুখ্যমন্ত্রী যদি না থাকেন তাহলে ঘাটালে আরো বিপর্যস্ত পরিস্থিতির সৃষ্টি হতো। কেন্দ্রের থেকে সাহায্য না নিয়েই মুখ্যমন্ত্রী নিজের উদ্যোগে বিভিন্ন এলাকায় বন্যা রোধ করার জন্য কাজ শুরু করেছেন।”

Related Articles

Back to top button