নিউজঅফবিটপলিটিক্স

“আমার পছন্দ না হলে আপনার ছবি সার্টিফিকেটে কেন নেবো?”- টীকা শংসাপত্রে প্রধানমন্ত্রীর ছবি প্রসঙ্গে তোপ দাগলেন মুখ্যমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদন: আবার উদ্বেগজনক ভাবে সারা ভারতজুড়ে কিছুটা বৃদ্ধি পেয়েছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। ইতিমধ্যেই পশ্চিমবঙ্গ সহ সারা রাজ্যগুলি ব্যাপক মাত্রায় টীকাকরণের লক্ষ্যমাত্রা নিয়েছে। কিন্তু মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বারবার অভিযোগ করছেন যে “শুধুমাত্র বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলিকে কেন্দ্রীয় সরকার যথেষ্ট পরিমাণে টীকা পাঠাচ্ছে। বাংলায় সেই তুলনায় অনেক অপর্যাপ্ত টীকা পাঠানো হচ্ছে।”

ভ্যাকসিন নেওয়ার পর সকলেই প্রায় কো’উইন অ্যাপ থেকে ভ্যাকসিনের সার্টিফিকেট ডাউনলোড করছেন। এই সার্টিফিকেটের তলায় প্রধানমন্ত্রীর ছবি দেওয়া থাকে এবং তার পাশে একটি বার্তা লেখা থাকে। এবার প্রধানমন্ত্রীর ছবি এবং বার্তা দেওয়া সার্টিফিকেটে কেন দেওয়া থাকবে সেই বিষয়ে যথেষ্ট আওয়াজ তুলেছেন বিরোধীরা। বিরোধীরা অভিযোগ করছে যে এই ছবি এবং বার্তা দেওয়ার মাধ্যমে কেন্দ্রীয় সরকার নিজের প্রচার করে চলেছে। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বলেছেন,

আরও পড়ুন –জখম ছাত্রনেতাদের দেখতে হাসপাতালে পৌঁছালেন মুখ্যমন্ত্রী। আজ আবার ত্রিপুরায় তৃণমূলের প্রতিনিধিদল।

“জনস্বার্থে ভ্যাকসিনের সার্টিফিকেটে প্রধানমন্ত্রী ছবিসহ বার্তা ছাপা হয়েছে। ‌ কারণ ভ্যাকসিন নেওয়ার পর করোনার সংক্রমণ হবে না এটা অনেকেই ভেবে কোভিড বিধি মানছেন না । তাই ভ্যাকসিন নেওয়ার পরেও যাতে মানুষ সচেতন থাকেন তার জন্য প্রধানমন্ত্রীর ছবি এবং বার্তা দেওয়া ভ্যাকসিন সার্টিফিকেট দেওয়া হচ্ছে। জনস্বার্থে মানুষের মধ্যে সচেতনতা বোধ গড়ে তুলতে এই পদ্ধতি অবলম্বন করছে কেন্দ্রীয় সরকার।”

এবার এই প্রসঙ্গে গতকাল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বিরুদ্ধে কটাক্ষের তীর ছুঁড়ে দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেছেন, “ধরুন আমি তার সমর্থক নই, তাহলে আমি সার্টিফিকেটে কেন তার ছবি দেখব ? বাধ্যতামূলকভাবে সার্টিফিকেট গুলিতে উনি নিজের ছবি লাগিয়ে দিচ্ছেন। নিজের বার্তা দিচ্ছেন! যখন আমি আপনাকে পছন্দ করি না তখন আপনার ছবি আমি কেন সার্টিফিকেটে রাখবো? সাধারণ মানুষকে এই মর্মে স্বাধীনতা দেওয়া দরকার। এটা যথেষ্ট বাড়াবাড়ি হয়ে যাচ্ছে। এবার তাহলে ডেথ সার্টিফিকেটেও প্রধানমন্ত্রীর ছবি লাগিয়ে দেওয়ার অনুমতি দেওয়া হোক ?”

Related Articles

Back to top button