নিউজপলিটিক্সরাজ্য

“তৃণমূলের সাথে জোট গঠন করলে রাজ্যে কংগ্রেসের সাইনবোর্ডও দেখা যাবে না।”- বললেন কমরেড বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্য।

নিজস্ব প্রতিবেদন: একুশের ভোটে বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতাদের একাই রুখে দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সারা দেশের মধ্যে এক মহিলা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে কার্যত পর্যুদস্ত হয়ে গিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী থেকে শুরু করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ সহ আরো বিজেপির তাবড় তাবড় মন্ত্রীরা। যার দরুণ সারা ভারত জুড়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজনৈতিক নেত্রী হিসাবে অনেকটাই গুরুত্ব বৃদ্ধি পেয়েছে। এবার দেশের সিংহভাগ রাজনৈতিক নেতা নেত্রীরা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে প্রধান মুখ হিসাবে দেখতে চাইছেন।

মুখ্যমন্ত্রীও আগামী ২০২৪ এর ভোটকে পাখির চোখ করে তাঁর রাজনৈতিক কর্মসূচি স্থির করছেন। আজ দিল্লি যাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি একটি বিজেপি বিরোধী শক্তিশালী জোট গঠন করার ডাক দিয়েছেন বিজেপি বিরোধী নেতা নেত্রীদের।এবার তাঁর দিল্লি গমনের পূর্বেই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি দিয়ে পেগাসাস কাণ্ডে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে আক্রমণ করল কংগ্রেস।

আরও পড়ুন-ঘাসফুলের দিকে ঝুঁকছে রাজ্য কংগ্রেস। আশঙ্কার মেঘ সিপিএমের জোটে।

টুইটারে প্রধানমন্ত্রীর উপর আক্রমণ শানিয়ে কংগ্রেস লিখেছে,”শত্রুদের উপর সর্বদা নজর দিতে হয়, এই প্রবাদকে একটু বেশি গুরুত্ব সহকারে দেখছেন প্রধানমন্ত্রী।” এই টুইটে মনে করা হচ্ছে মুখ্যমন্ত্রীর আবেদনে এবার সাড়া দিতে চাইছে কংগ্রেস‌ও। তাই এই টুইটটির মাধ্যমে বিজেপির বিরুদ্ধে একটি শক্তিশালী জোট গঠনের বার্তা দেওয়া হয়েছে।এদিকে তৃণমূলের সাথে কংগ্রেসের জোটের এই জল্পনার মধ্যে কংগ্রেসকে সতর্কবাণী দিয়েছেন সিপিএম নেতা বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্য।

আরও পড়ুন-বাংলার মতোই ত্রিপুরাতেও রণনীতিতে পিকের আইপ্যাকেই ভরসা তৃণমূলের

তিনি বলেছেন,”পেগাসাস কিছুতে কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে লড়াই করতে তৃণমূলকে সঙ্গী করে যদি কংগ্রেস লড়াই চালানোর সিদ্ধান্ত নেয় তা হলে তারা যে ভবিষ্যতের কবর নিজেরাই খুঁজছে এটা ইঙ্গিত স্পষ্ট। ‌ তার কারণ এই সফটওয়ারের সাহায্যে বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতাদের ফোনে আড়ি পেতেছিল তৃণমূল‌ও। তৃণমূলকে সঙ্গী করে কংগ্রেস কখনোই বেশি দূর এগিয়ে যেতে পারবে না। একমাত্র বামফ্রন্টের সাথে থাকলেই রাজ্য রাজনীতিতে কংগ্রেসের অস্তিত্ব থাকবে।

‌ আর তৃণমূলকে নিয়ে এগোলে এ রাজ্যে কংগ্রেসের একটাও সাইনবোর্ড থাকবে না। ‌ যে কংগ্রেস নেতারা দিল্লিতে গিয়ে আঁতাত তৈরি করছেন তৃণমূলের সাথে তারা যথেষ্ট ভুল কাজ করছেন।”

Related Articles

Back to top button