বেতনের অর্থ দিয়ে রাস্তাঘাট মেরামত করব পানীয় জলের সংকট নিরসন করব।”- প্রতিজ্ঞা করলেন শালতোড়ার বিজেপি বিধায়ক চন্দনা বাউড়ি

বেতনের অর্থ দিয়ে রাস্তাঘাট মেরামত করব পানীয় জলের সংকট নিরসন করব।”- প্রতিজ্ঞা করলেন শালতোড়ার বিজেপি বিধায়ক চন্দনা বাউড়ি

নিজস্ব প্রতিবেদন: বাঁকুড়া শালতোড়া কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী চন্দনা বাউড়ি। দিনমজুর স্বামী, দুই সন্তানের মা এই গৃহবধূ তাদের টানাটানির সংসারে ভীষণভাবে লড়াইয়ের মধ্য দিয়ে দিন অতিবাহিত করেন। তাকেই এবারের নির্বাচনে লড়ার টিকিট দিয়েছিল বিজেপি। সকালবেলা সংসারের কাজ গুছিয়ে পান্তা ভাত খেয়ে তিনি বেরিয়ে পড়তেন প্রচার অভিযানে।

এলাকার মানুষ তার দিকে বাড়িয়ে দিয়েছেন ভরসার হাত। ভোটে জয় পেয়েছেন চন্দনা দেবী। প্রচারের প্রথম পর্ব থেকেই যথেষ্ট জনসমর্থন পেয়েছিলেন চন্দনা বাউড়ি। শিরোনামে উঠে এসেছিলেন তিনি।

আরও পড়ুন-মাত্র ১ টাকায় ৫ কেজি টাটকা সবজি; নতুন প্রকল্প এনে কামারহাটিতে অসহায় মানুষের পাশে মদন মিত্র।

তিনি প্রথম থেকেই জানিয়েছিলেন যে নির্বাচনে জিতলে এলাকার মানুষের পানীয় জলের বন্দোবস্ত করবেন, এলাকার রাস্তাঘাট তৈরি করবেন এবং আরও বিভিন্ন ভাবে মানুষের পাশে থাকবেন। শালতোড়ার মানুষজন‌ও অনেক আশা নিয়ে তাকিয়ে রয়েছেন চন্দনার দিকে। চন্দনা বাউড়ি বলেছেন যে, তিনি তাঁর বিধায়ক হিসাবে প্রাপ্য টাকার বেশীরভাগ অংশ খরচ করবেন অসহায়, দুঃস্থ মানুষদের জন্য।প্রতিমাসে প্রায় ৮২ হাজার টাকা বিধায়ক হিসাবে পাবেন চন্দনা।

এই টাকার পরিমাণ শুনে যথেষ্ট অবাক হয়েছিলেন ছাপোষা নিম্নবিত্ত পরিবারের এই গৃহবধূ। তিনি বলেছেন, “এত টাকা আমাদের কাজে লাগবে না। আমরা সাধারণভাবে জীবন যাপনে অভ্যস্ত। আমার গাড়ির দরকার নেই, আমার সাইকেল আছে, স্বামীর মোটরসাইকেল আছে ওতেই আমাদের চলে যাবে।

আরও পড়ুন-অসমের পথ ধরে এবার উত্তরপ্রদেশের বুকেও চালু হতে চলেছে ‘দুই সন্তান নীতি’।

টিভি কেনার বা বাড়ি বানানোর বর্তমানে আমার কোন ইচ্ছা নেই। প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনায় বাড়ি বানানোর টাকা পেয়েছি ওতেই আমি বাড়ি বানাবো। ‌ অত টাকা আমার প্রয়োজন নেই বরং ওই টাকা দিয়ে আমি আমাদের এখানে রাস্তাঘাট মেরামত করব, পানীয় জলের সংকট দূর করব। আমার ছেলেমেয়েদের লেখাপড়া শেখাবো।

শুভেন্দু অধিকারী একজন ভালো জননেতা। ‌ উনার উপর আমার খুবই ভরসা রয়েছে। আমার বেতনের টাকা কিভাবে খরচ করব, উনার থেকে এই বিষয়ে পরামর্শ নেব।”