“বিজেপি রাজ্যে ক্ষমতায় না এলে জুতো পরবো না”- প্রতিজ্ঞা কেতুগ্রামের বিজেপি কর্মীর।

“বিজেপি রাজ্যে ক্ষমতায় না এলে জুতো পরবো না”- প্রতিজ্ঞা কেতুগ্রামের বিজেপি কর্মীর।

নিজস্ব প্রতিবেদন: একুশের ভোটে অনেকটাই অন্যরকম আবহাওয়া পশ্চিমবঙ্গের বুকে। ‌ কারণ অন্যান্যবারের কোন ভোটে এতটা টানটান উত্তেজনা অনুভূত হয়নি পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক স্তরে। বিজেপি আত্মবিশ্বাসের সুরে জানিয়েছে তারাই বাংলার মাটিতে তাদের একচ্ছত্র আধিপত্য স্থাপন করতে চলেছে। এদিকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দৃপ্ত কণ্ঠে ঘোষণা করেছেন যে তিনি ১০-০ বলে বিজেপিকে মাঠের বাইরে বের করে দেবেন।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এই প্রথম বাংলার মাটিতে এতবার জনসভা করতে আসছেন। বিজেপির একটাই লক্ষ্য যে করেই হোক নবান্নের সিংহাসন দখল করা। এদিকে বিজেপির চোখে চোখ রেখে মাটি কামড়ে দৃঢ়তার সঙ্গে লড়াই করে যাচ্ছে তৃণমূল। আবার বাম সংযুক্ত মোর্চা তাদের তরুণ ব্রিগেডের বলে বলীয়ান হয়ে যথেষ্ট আশাবাদী যে এবারে তারাও তাদের লাল ঝান্ডা সগৌরবে উড়িয়ে দেবে রাজ্যের অলিতে গলিতে।

আরও পড়ুন-২৪ ঘন্টা নিষিদ্ধ মুখ্যমন্ত্রীর ভোটপ্রচার। প্রতিবাদে ধর্ণায় মমতা।

এদিকে বিজেপি প্রার্থীর অবাক করা একটি কান্ড সকলের‌ই দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে।কেতুগ্রামের এক বিজেপি কর্মীর প্রতিজ্ঞা যে রাজ্যে যতদিন না বিজেপি সরকার আসছে, ততদিন তিনি খালি পায়ে ঘুরে বেড়াবেন। আজ অনেকদিন ধরেই তিনি খালি পায়ে ঘুরে বেড়াচ্ছেন এলাকার অলিতে গলিতে। বিজেপির অত্যন্ত বিশ্বস্ত এই কর্মী এখন খালি পায়ে যাতায়াত করেন সব জায়গায়। তার স্ত্রী এবং নিকট আত্মীয়দের অনুরোধেও তিনি কখনোই জুতো পরতে রাজি হননি।

তবে একুশের ভোটে তাঁর স্বপ্ন সত্যি হতে চলেছে বলে আশাবাদী ওই বিজেপি কর্মী। ওই বিজেপি কর্মীর নাম হল নীলমণি দানা। আজ বেশ কয়েকবছর তিনি খালি পায়েই সাবলীল ভাবে ঘুরে বেড়াচ্ছেন। তিনি প্রতিজ্ঞা করেছিলেন রাজ্যে বিজেপি ক্ষমতায় এলে তবেই তিনি জুতো পরবেন, বিভিন্ন জায়গায় তাকে কটাক্ষের মুখোমুখি হতে হয়েছে, অনেক হাসি ঠাট্টার মুখোমুখি হতে হয়েছে, কিন্তু কিছুতেই দমেননি নীলমণি। ‌ তার এই ধনুক বাংলা পণ তাকে বিখ্যাত করে তুলেছে বিজেপি কর্মী সমর্থকদের মাঝে। এবার দেখা যাক আগামী ২ রা মে তাঁর স্বপ্নপূরণের দিন হিসেবে উপস্থাপিত হয় কিনা!