“মানুষের ভালোবাসা এবং ভরসার মর্যাদা দেবো আমি।”- নতুন দায়িত্ব কাঁধে নিয়ে বার্তা অভিষেকের।

“মানুষের ভালোবাসা এবং ভরসার মর্যাদা দেবো আমি।”- নতুন দায়িত্ব কাঁধে নিয়ে বার্তা অভিষেকের।

নিজস্ব প্রতিবেদন: একুশের ভোটে বাংলার মাটিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের অশ্বমেধ যজ্ঞের ঘোড়া একাই রুখে দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তারপরেই সারা রাজ্যের মধ্যে সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি পোস্ট ট্রেন্ডিং হয়ে উঠছে, ‘বাঙালি প্রধানমন্ত্রী চাই।’ নেটিজেনরা হ্যাশ ট্যাগ ব্যবহার করে বারবার দাবি করছেন এবারে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কে অনেকেই প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেখতে চান। দেশের বিভিন্ন বিরোধী দলের নেতারা প্রধানমন্ত্রী পদে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কে যথেষ্ট উপযুক্ত বলে মনে করছেন।

গত শনিবার তৃণমূল ভবনে সাংগঠনিক বৈঠক করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। জানা গিয়েছে ওই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন জেলা সভাপতি, সাংসদ, পুর প্রশাসক এবং বিধায়করা। এই বৈঠকে বেশ কিছু সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তার মধ্যে অন্যতম হল যুব তৃণমূলের সভাপতি পদ থেকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ইস্তফা।

আরও পড়ুন-যুব তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক হলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।

জানা গিয়েছে এবার তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক পদে আসীন হয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর জায়গায় যুব তৃণমূলের সভাপতি পদে আসীন হয়েছেন তৃণমূলের আসানসোল দক্ষিণের তারকা প্রার্থী সায়নী ঘোষ। প্রসঙ্গত অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় একুশের ভোটের প্রচারে যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন। সারা রাজ্য জুড়ে ছুটে বেড়িয়েছেন তিনি।

আরও পড়ুন-“কামারহাটি পুরসভার প্রশাসক করে দিন।”- মুখ্যমন্ত্রীর কাছে ভিডিও বার্তায় আবেদন মদন মিত্রের।

একের পর এক জনসভা তথা রোড শো তে তিনি বিজেপিকে আক্রমণ করে গিয়েছেন। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশাপাশি তৃণমূলের জয় লাভে যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের।নতুন দায়িত্বভার কাঁধে নিয়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, “দল আমাকে নতুন দায়িত্ব অর্পণ করেছে। আমি এই দায়িত্ব পালন করতে বদ্ধপরিকর।

আরও পড়ুন-অভিষেককে দেখেই কেঁদে ফেললেন সুব্রত বক্সি। বললেন , “সব উজাড় করে দেবো।”

দলের সমস্ত নেতা-নেত্রীদের আশীর্বাদ এবং মূল্যবান পরামর্শে আমি আমার যাত্রা পথে অগ্রসর হবো। আমার নতুন ভূমিকার সূচনার প্রারম্ভে দলের অন্যতম অভিজ্ঞ নেতা শ্রী সুব্রত বক্সি, শ্রী সুব্রত মুখোপাধ্যায়, এবং শ্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের সাথে সাক্ষাৎ করেছি । তাদের মূল্যবান পরামর্শে আমি আগামী দিনের লড়াইয়ে অবতীর্ণ হব।”