“আজকে আমাকে বৈঠকে ডাকা হয়নি”- বললেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

“আজকে আমাকে বৈঠকে ডাকা হয়নি”- বললেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

নিজস্ব প্রতিবেদন: সারাদেশব্যাপী ভয়াবহ সন্ত্রাস চালাচ্ছে করোনাভাইরাস। ‌ একদিকে এই ভাইরাসের দাপট আবার অন্যদিকে বাংলায় একুশের ভোট সব মিলিয়ে পশ্চিমবঙ্গের বুকে যথেষ্ট উত্তপ্ত পরিস্থিতি। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বারবার বলেছেন যে এই পরিস্থিতিতে বাংলায় নির্বাচনী জনসভা গুলি থেকে অবশ্যই দূরে থাকতে হবে রাজনৈতিক সংগঠন গুলিকে। তৃণমূল থেকে শুরু করে বিজেপি, বাম সংযুক্ত মোর্চার জনসভা গুলিকে দেখা গিয়েছে কাতারে কাতারে ভিড় করেছেন মানুষজন। ‌

অনেকেরই মুখে নেই মাস্ক, আর সামাজিক দূরত্ব তো গল্প কথা। এরপরেই কলকাতা হাইকোর্ট অত্যন্ত ভর্ৎসনা করেছে নির্বাচন কমিশনকে। কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি বলেছেন, “নির্বাচন কমিশনের উচিত রাজ্যের ভোটের আবহে সঠিকভাবে কোভিড বিধি পালিত হচ্ছে কি না তা দেখা, কিন্তু নির্বাচন কমিশনের হাতে ক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও তারা সেই ক্ষমতা প্রয়োগ করছে না। এক প্রকার দায় এড়িয়ে যাচ্ছে নির্বাচন কমিশন।

আরও পড়ুন-“বিজেপির সাথে বোঝাপড়া হয়েছে।”- শেষ দুই দফা ভোটের আগে অধীর চৌধুরী কে কটাক্ষ করলেন আব্বাস সিদ্দিকী

“এরপরই নির্বাচন কমিশন ঘোষণা করেছে যে, গতকাল সন্ধ্যা সাতটা থেকে আর কোনো বড়ো জনসভা, মিছিল, বাইক, সাইকেল র‌্যালি করতে পারবেন না তবে জনসভা গুলির ক্ষেত্রে শারীরিক দূরত্ব বজায় রেখে ৫০০ জন লোক নিয়ে জনসভা হতে পারে।মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নির্বাচন কমিশনের এই নির্দেশের পর তার সমস্ত জনসভা বাতিল করে দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, “আপনারা সকলেই জানেন যে নির্বাচন কমিশন বিজেপির কথা শুনে চলে, বিজেপি যা বলবে কমিশন তাই করবে।

ওদের সব নির্দেশ আসে রাত আটটার পরে, অথবা রাত দশটার সময়। যদি এই নির্দেশ বিকালবেলা পেতাম, তাহলে আরো দুটো মিটিং করে নিতে পারতাম। আমরা বারবার নির্বাচন কমিশনকে বলেছিলাম যে নির্বাচনকে ছোট করুন আটটা দফায় ভোট করার কোন প্রয়োজন নেই। আমি সকলকে অনুরোধ করবো যে সকলে গিয়ে ভোটটা দেবেন। এটা আপনাদের বাংলা বাঁচানোর লড়াই। বিজেপি আজ ভোটের নাম করে বাইরে থেকে লোক এনে সারা বাংলাকে সঙ্কটে ফেলে দিয়েছে। আজ গুজরাট ভ্যাকসিন পেয়েছে ৬০% কিন্তু বাংলা পাচ্ছে ১০% থেকে ১৫%। আজ আমাকে বৈঠকেও ডাকেনি কেন্দ্রীয় সরকার।”