নিউজটেক নিউজরাজ্য

“আমিও প্রতারিত হয়েছি”- জানালেন দেবাঞ্জনের সঙ্গী সুস্মিতা

নিজস্ব প্রতিবেদন: টাকার লোভে মানুষ যে কতটা পিশাচ হতে পারে তার জ্বলন্ত দৃষ্টান্ত হল দেবাঞ্জন। কসবার ভুয়ো ভ্যাকসিনেশন ক্যাম্প চালিয়ে যাদবপুরের সাংসদ মিমি চক্রবর্তীর তৎপরতায় ধরা পড়েছে দেবাঞ্জন। কিন্তু তার প্রতারণার গভীরে যত পৌঁছাচ্ছে পুলিশ ততই তারা রীতিমত অবাক হয়ে যাচ্ছে। কলকাতা পুরসভার ভুয়ো হলোগ্রাম ব্যবহার করে কিভাবে এসে একের পর এক প্রতারণার ফাঁদ পেতেছিল তা স্তম্ভিত করেছে দুঁদে অফিসারদের।

নিজেকে আসল প্রমান করতে সব সময় প্রভাবশালী মহলের সাথে যোগাযোগ রাখতেন দেবাঞ্জন। প্রাক্তন এক বিএসএফ অফিসার কে নিজের সর্বক্ষণের সিকিউরিটি নিয়োগ করেছিলেন দেবাঞ্জন। এছাড়াও প্রতি মাসে ৫২ হাজার টাকার বিনিময়ে একটি ইনোভা নীলবাতি গাড়ি চড়ে ঘুরে বেড়াতেন দেবাঞ্জন। কসবার অফিসটি একদম পুরসভার আদলে সাজিয়েছিলেন দেবাঞ্জন।

আরও পড়ুন-ভুয়ো আইএএস দেবাঞ্জনের বাড়িতে তল্লাশি চালালো তদন্তকারী অফিসাররা।

সমস্ত জায়গায় পুরসভার জাল নথিপত্র ব্যবহার করতেন তিনি।এবার দেখা পাওয়া গিয়েছে দেবাঞ্জনের সহকারি সুস্মিতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের । এই মহিলা গত দেড় মাস যাবৎ দেবাঞ্জনের অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন । তিনি জানিয়েছেন যে, “আমার সাথে দেবাঞ্জন এর পরিচয় হয়েছিল তালতলার একটি পূজার অনুষ্ঠানে। ‌

সেখানে দেবাঞ্জন আমাকে আইএএস অফিসার বলে পরিচয় দিয়েছিলেন। তারপর তিনি আমাকে কাজের অফার দেন। আমার অসুস্থ সন্তানের মুখ চেয়ে আমি কাজ করতে রাজি হ‌ই। আমার ইন্টারভিউ হয় ।

আরও পড়ুন-ধৃত চীনা নাগরিক হানকে হেফাজতে নিতে পারে উত্তরপ্রদেশ এটিএস।

তারপরে কাজে যোগ দিই। আমি দেবাঞ্জনের টিকা দেওয়া সংক্রান্ত সমস্ত বিষয় দেখাশোনা করতাম। কিন্তু আমি নিজেও প্রতারিত হয়েছি।”তদন্তকারী অফিসাররা একটি চাকরির নিয়োগপত্র পেয়েছেন যেখানে সুস্মিতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের স‌ই পাওয়া গিয়েছে।

তাই সুস্মিতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে জেরা করছেন তদন্তকারী অফিসাররা।

Related Articles

Back to top button