নিউজকলকাতাপলিটিক্সরাজ্য

“যেখানে যোগ্য সম্মান, সেখানেই রাজনীতি করতে চাই”- এবার বিদ্রোহের সুর বিজেপি সমর্থক অভিনেত্রী রিমঝিম মিত্রের গলায়।

নিজস্ব প্রতিবেদন: বিজেপির তামাম নেতাকর্মীদের মুখে শোনা গিয়েছিল আত্মবিশ্বাসের ভাষণ। কেন্দ্রীয় নেতারাও আত্মবিশ্বাসের বলে বলিয়ান ছিলেন প্রথম থেকেই। এমনকি কেন্দ্রীয় বিজেপি নেতারা বাংলায় বিভিন্ন জনসভা, রোড শোতে স্লোগান তুলেছিলেন , ‘ইস বার দোশো পার।’ কিন্তু একুশের ভোটের ফলাফলে সম্পূর্ণ তৃণমূল ঝড়ে উড়ে গিয়েছে বিজেপি। রাজ্যে মাত্র ৭৭ টি আসন পেয়েছে বিজেপি।

উল্টোদিকে ২১৩ টি আসন লাভ করে আবার তৃতীয়বার বাংলায় সরকার গঠন করেছে তৃণমূল। আর বিজেপির পরাজয়ের পরেই তৃণমূল থেকে বিজেপিত আগত নেতা নেত্রীরা বেসুরো হয়ে উঠেই আবার র‌ওনা দিয়েছেন তৃণমূলের ছত্রছায়া। যেতে। দীপেন্দু বিশ্বাস থেকে শুরু করে সোনালী গুহ, রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় একের পর এক প্রাক্তন তৃণমূলের নেতারা যারা বিজেপিতে এসেছেন তারা বেসুরো হয়ে আবার তৃণমূলে ফিরে যেতে বদ্ধপরিকর।

আরও পড়ুন-ব্যাঙ্কের চেয়ারম্যান পদ থেকে অপসারণ করা হল শুভেন্দু অধিকারীকে।

কিন্তু মুকুল‌ রায়ের মতো তাদের তৃণমূলে ফেরার পথটা মোটেই মসৃণ নয়। এছাড়াও বেশ কিছু টলিউডের অভিনেতা অভিনেত্রী রাও এবার বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলের দিকে পা বাড়িয়ে রয়েছেন। ঠিক এই আবহেই এবার বিজেপির কট্টর সমর্থক অভিনেত্রী রিমঝিম মিত্রের গলায় শোনা গেলো কার্যত বিদ্রোহের সুর। আজ একটি সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছেন,

“পার্টির মিটিং হলে সেই খবর আমরা পাইনা। মাঝেমধ্যে কোথাও অবস্থান বা অন্য কোনো মুভমেন্ট হলে সেগুলোর তথ্য আসে। কিন্তু খুব‌ই অবাক হতে হয় যখন দেখি অনেক মিটিং এর ইনফরমেশন আমার কাছে এসে পৌঁছায় না। আমি কখনোই রাজনীতি ছাড়তে চাইনা, আমি প্রথম থেকেই শক্তভাবে রাজনীতি করার পক্ষপাতি। আমার অনেক কলিগ, বন্ধু অভিমান করে পার্টি থেকে সরে গিয়েছে।

আরও পড়ুন-“একদিকে উপনির্বাচন চাইছেন। আবার অপরদিকে স্কুল-কলেজ ট্রেন বন্ধ করে রেখেছেন।”- মুখ্যমন্ত্রী কে তোপ দাগলেন দিলীপ ঘোষ।

যারা রাজনীতি করে তারা সকলেই বিনিময়ে একটু সম্মান আশা করে।এবার সেই সম্মান টুকুও যদি কেউ না পান , তাহলে তাদের খারাপ লাগাটাই স্বাভাবিক। আমি পার্টির আইডোলজি কে সমর্থন করি বলেই এই পার্টিতে জয়েন করেছি । আমি চাইলে প্রলোভনে পা দিতে পারতাম। এবার যদি মনে হয় যে, এই পার্টিতে আমার ততটা দরকার নেই তাহলে অবশ্যই কিছু ভাবতেই হবে।”

Related Articles

Back to top button