নিউজ

“বিচারের আশায় ভোট দিয়েছি”- কান্নায় ভেঙে পড়ে বললেন কোচবিহারে শীতলকুচির নিহতের পরিবার

নিজস্ব প্রতিবেদন: কোচবিহারের শীতলকুচি কান্ডে উত্তপ্ত হয়েছে সারা বাংলা। কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদের ঘেরাও করে আক্রমণ করার অভিযোগে কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা গুলি চালিয়েছে যার দরুন প্রাণ গিয়েছে ৪ তৃণমূল সমর্থকের। এই ঘটনায় সারা রাজ্য জুড়ে কালা দিবস পালন করেছে তৃণমূল। ‌ মুখ্যমন্ত্রীকে নির্বাচন কমিশন অনুমতি দেয়নি কোচবিহারে নিহতদের বাড়িতে যাওয়ার জন্য। ভিডিও কলে নিহত তৃণমূল সমর্থক দের পরিবারের সাথে কথা বলেছেন মুখ্যমন্ত্রী।

ওদিকে ওই বুথেই গুলি করে হত্যা করা হয়েছে আনন্দ বর্মনকে। এই হত্যার অভিযোগ উঠেছে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। এই ঘটনাকে ঘিরে ক্রমেই পারদ চড়ছে বঙ্গ রাজনীতিতে। বিজেপি নেতা রাহুল সিন্‌হা বলেছেন, “সিআরপিএফের ওইদিন চারজনকে না মেরে আটজনকে মারা উচিৎ ছিলো। কারণ যারা আতঙ্কবাদী, মানুষের অধিকার হরণ করে, তাদের যা প্রাপ্য তাই সিআরপিএফ দিয়েছে।

আরও পড়ুন-ভোটের পরের দিন নানুরের বন্দর গ্রামে ব্যাপক বোমাবাজি রাতভর।

“এই প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন, “যারা গুলি চালানোর পক্ষে কথা বলে তাদের নিষিদ্ধ করে দেওয়া উচিৎ।”এই কাণ্ডের পরেই নির্বাচন কমিশন নির্দেশ দিয়েছে যে বুথের ২০০ মিটারের মধ্যে গুলি চালাতে পারবে না কেন্দ্রীয় বাহিনী। জোড়পাটকির ওই কেন্দ্রে আবার পুনর্নির্বাচন হয়েছে গতকাল। শীতলকুচি তে কেন্দ্রীয় বাহিনীর গুলিতে মৃত তৃণমূল সমর্থক দের পরিবার ভোট দিতে গিয়েছিলেন আমতলি মাধ্যমিক শিক্ষা কেন্দ্রে।

আতঙ্কের মধ্যেই ওই বুথে ভোট দিয়েছেন মানুষজন। নিহত মণিরুলের স্ত্রী রাহিনা বিবি কান্নায় ভেঙে পড়ে বলেছেন , “আমার স্বামী ভোট দিতে এসে এখানে প্রাণ হারিয়েছে, কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে ভোট দিয়েছি, বিচারের আশা নিয়ে ভোট দিয়েছি।”নিহত হামিদুল মিঞার বাবা বলেছেন, “আমার ছেলে কেন্দ্রীয় বাহিনীর গুলিতে মারা গিয়েছে, আমি তার বিচারের আশায় ভোট দিয়েছি।“গতকাল শীতলকুচির ওই বুথে মোট ভোট পড়েছে ৮৪.২৬%।

Related Articles

Back to top button