নিউজপলিটিক্সরাজ্য

“কাছ থেকে মীরজাফরকে দেখলাম।”- মুকুলের উদ্দেশ্যে কটাক্ষ সৌমিত্র খাঁ এর।

নিজস্ব প্রতিবেদন: পদ্মফুল শিবিরের সাথে বিগত চার বছরের সম্পর্কের ইতি টেনে তৃণমূলে ফিরেছেন মুকুল রায়। সোশ্যাল মিডিয়ায় নেটিজেনরা যেমন কটাক্ষ করছেন তেমন তৃণমূল সমর্থক রা অভ্যর্থনা জানাচ্ছেন মুকুল রায় কে। বিজেপি কর্মী সমর্থক রা মুকুল রায়ের বিরুদ্ধে যথেষ্ট বিক্ষোভ প্রদর্শন করছেন। গতকাল অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় উত্তরীয় পরিয়ে দিয়েছেন মুকুল রায়কে।

জল্পনা হচ্ছে লোকসভায় দুটি সংসদীয় আসনের মধ্যে একটিতে মুকুল রায়কে পাঠাতে পারেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।এদিকে মুকুল রায়ের আবার বিজেপির সঙ্গ ত্যাগে তাঁকে একহাত নিয়েছেন বিজেপি সাংসদ সৌমিত্র খাঁ। এর আগেও তিনি বিজেপির আরেক বেসুরো নেতা রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধেও তোপ দেগেছিলেন টুইটারে। এবার মুকুল রায়কে একহাত নিয়ে টুইট করে সৌমিত্র খাঁ লিখেছেন,”বাংলায় মীরজাফরের জন্য আজ বিজেপির এই অবস্থা হয়েছে।

আরও পড়ুন-“এদিক ওদিক করার তো একটা বয়স আছে।”- মুকুল রায়কে কটাক্ষ বাবুল সুপ্রিয়র।

উনারা তাড়াতাড়ি চলে গেলে দলের পক্ষে মঙ্গল। আমরা যেমন বিজেপির সৈনিক হয়ে ছিলাম ভবিষ্যতেও ঠিক এভাবেই দলে থাকবো। কোন বেইমান গদ্দার আমাদের এই লড়াই করার মানসিকতাকে কখনোই ভেঙে দিতে পারবে না।”এছাড়াও সৌমিত্র খাঁ, মুকুল রায়ের প্রতি কড়া আক্রমণ শানিয়ে বলেছেন, “২০২১ এর পরে বাংলার মীরজাফরকে আমরা কাছ থেকে দেখলাম।

আরও পড়ুন-“যোগ্যতা থাকা সত্বেও লবি বাজি করে বাকিদের বসিয়ে রেখে অপমান করা হয়েছে।”- বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্বের বিরুদ্ধে সরব বিজেপি নেতা অনুপম হাজরা।

কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব উনার উপরে বেশী ভরসা করেছিলেন। টিকিট বন্টনে উনার হাত ছিলো। আর এই টিকিট বন্টনে উনি সবথেকে বেশী ক্ষতি করেছেন। আমি শিবপ্রকাশজীর হাত ধরে এসেছিলাম বিজেপিতে।

বাংলার রাজনীতিতে মুকুল রায় কোন চাণক্য নন। একুশের ভোটে মুকুলদা তার ছেলে শুভ্রাংশু কে জেতাতে পারেননি । বাংলায় বিজেপিকে নিয়ে আসতে তো পারেন‌ই নি, উপরন্তু বিজেপির ক্ষতি করে দিয়েছেন। মুকুলদা ২০০১ সালে ভোটে দাঁড়িয়ে ৫৬ হাজার ভোটে হেরেছিলেন।

আরও পড়ুন-“ঘরছাড়া কর্মীদের দলে ফেরানোই আমার মুখ্য উদ্দেশ্য। কে গেল কে এলো তা নিয়ে ভাবার সময় নেই।”- বললেন দিলীপ ঘোষ।

তারপর থেকেই তিনি ভয়ে কোনো বিধায়ক পদে দাঁড়াতে চাননি। মুকুল রায়কে বাদ দিয়েও তৃণমূল ২১৩ টা সীট পেয়েছে। তাই উনি চাণক্য নন, মীরজাফর।”

Related Articles

Back to top button