“পুরভোটে বাম কংগ্রেসের জোট প্রসঙ্গে আমার কিছু বলার ক্ষমতা নেই।”- বললেন অধীর চৌধুরী।

“পুরভোটে বাম কংগ্রেসের জোট প্রসঙ্গে আমার কিছু বলার ক্ষমতা নেই।”- বললেন অধীর চৌধুরী।

নিজস্ব প্রতিবেদন: একুশের ভোটে জয়জয়কার তৃণমূল কংগ্রেসের। ধরাশায়ী হয়েছে বিজেপি। ২১৩ টি সীট নিয়ে আবার সরকার গঠন করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। সেই জায়গায় ৭৭ টি সীট নিয়ে প্রধান বিরোধীদল রূপে অবতীর্ণ হয়েছে বিজেপি।

কিন্তু স্বাধীনতার পূর্ববর্তী সময়ে থেকে ভারতের মাটিতে দাপিয়ে রাজনীতি করে আসা কংগ্রেস খাতাই খুলতে পারেনি একুশের ভোটে। এমনকি কংগ্রেসের গড় মুর্শিদাবাদে রীতিমতো ধরাশায়ী কংগ্রেস। বামফ্রন্টের সাথে আইএস‌এফ এবং কংগ্রেসের মহাজোট বাংলায় কোনো প্রভাব বিস্তার করতে পারেনি। এর ফলে এই মহাজোটের বিরোধিতা করে সরব হয়েছে কংগ্রেস কর্মী সমর্থকরা। ‌

আরও পড়ুন-ব্যক্তিগত দ্বন্দ্ব ভুলে আবার একসাথে মিটিং করলেন শতাব্দী-অনুব্রত।

কেন্দ্রীয় কংগ্রেসের বেশ কয়েকজন নেতা এর দায় চাপিয়ে দিয়েছেন অধীর রঞ্জন চৌধুরীর উপরে। প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতির নেতৃত্বে গত শনিবার প্রদেশ কংগ্রেসের প্রথম বৈঠক আয়োজিত হয়েছে কলকাতার মৌলালির প্রদেশ কংগ্রেসের সদরদপ্তর বিধান ভবনে।এই আবহে কংগ্রেস এবং বামফ্রন্টের জোটের ভবিষ্যৎ নিয়ে ধোঁয়াশার সৃষ্টি করলেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী। তিনি বলেছেন, “একুশের ভোটে জোট কে ভরসা করেই আমরা লড়াই চালিয়ে গিয়েছি।

আরও পড়ুন-আবার ভাঙ্গন গেরুয়া শিবিরে। আলিপুরদুয়ারের বিজেপি জেলা সভাপতি যোগ দিচ্ছেন তৃণমূলে।

পুরভোটেও আমরা জোট নিয়ে লড়াই করবো কি না সেই বিষয়ে এখনও কিছু ঠিক হয়নি। বর্তমানে জোট নিয়ে কিছু মন্তব্য করার আমার ক্ষমতা নেই। তবে নির্বাচনে বামফ্রন্টের সাথে জোটের জন্যেই যে আমাদের এই পরাজয় হয়েছে সেটার‌ও কোনো বাস্তবতা নেই।আসলে একুশের ভোটে মহাজোটের পর পরাজয় হলে দলীয় কর্মী সমর্থকদের মধ্যে ব্যাপক বিক্ষোভের সৃষ্টি হয়।

আরও পড়ুন-মুকুলের পরামর্শ অনুযায়ী উত্তরবঙ্গে সংগঠন মজবুত করতে রণনীতি সাজাচ্ছে তৃণমূল

সকলেই আইএস‌এফ এবং বামেদের সাথে জোট করার তীব্র সমালোচনা শুরু করেন। ঠিক এক‌ই পরিস্থিতি বাম দূর্গেও। বাম কর্মী সমর্থকরা এবং বাম শরিকদল রাও কংগ্রেস এবং আইএসএফ এর সাথে জোটের প্রাসঙ্গিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলছে।আগেই বিজেপিকে রোখার জন্য বামফ্রন্টের সাথে জোট না করে তৃণমূলের সাথে জোট করার জন্য অধীর চৌধুরী কে পরামর্শ দিয়েছেন কংগ্রেসের এক কেন্দ্রীয় নেতা।

একুশের ভোটে সংখ্যালঘু ভোটবাক্সের সিংহভাগ গিয়েছে মমতার সমর্থনে। তাই পুরভোটে এখন কংগ্রেস – বাম জোট কি পরিস্থিতির মুখোমুখি হয় তা জানার অপেক্ষা।