‘এমন অপদার্থ প্রধানমন্ত্রী দেখিনি’; করোনা পরিস্থিতির প্রতি নজর রেখে মোদিকে কটাক্ষ মমতার!

‘এমন অপদার্থ প্রধানমন্ত্রী দেখিনি’; করোনা পরিস্থিতির প্রতি নজর রেখে মোদিকে কটাক্ষ মমতার!

নিজস্ব প্রতিবেদন:-নববর্ষের পর থেকেই করোনাভাইরাস এর দ্বিতীয় ঢেউ রাজ্যে প্রভাব বিস্তার করে চলেছে। দুরন্ত গতিতে সংক্রমণ বেড়ে চলেছে বাংলার প্রতিটি জায়গায়। পঞ্চম দফার ভোট গ্রহণ সম্পন্ন হবার পর গতকাল রবিবার হঠাৎ করেই সংক্রমণ পৌঁছে গিয়েছে ৮ হাজার এর উর্দ্ধে। মৃত্যুর সংখ্যা ক্রমাগত বৃদ্ধি পেয়ে চলেছে বাংলায়। কিন্তু তা সত্ত্বেও বাংলার বেশিরভাগ জায়গাতেই জোরকদমে ভোটের প্রচার চলছে।

সম্প্রতি তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে ভাইরাসের সংক্রমনের কথা মাথায় রেখে তিন দফার ভোট এক দফাতেই সম্পন্ন করার কথা জানানো হয়েছিল। কিন্তু সেই বিষয়ে কোনো রকম ইচ্ছে প্রকাশ করেনি জাতীয় নির্বাচন কমিশন।ফলস্বরূপ পূর্ববর্তী সময়ের মতন রাজনৈতিক দলের নেতা মন্ত্রীরা মিছিল সমাবেশ এবং জমায়েতের মাধ্যমে প্রচার কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। এপ্রিল মাসের শেষের দিকে পরিস্থিতি আরো ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

আরও পড়ুন-করোনা সংক্রমনের পরিসংখ্যানের উপর নজর রেখে বাংলায় ভোট সফর বাতিল করলেন রাহুল গান্ধী!

এমতাবস্তায় করোনা সংক্রমণ এর উপর নজর রেখে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে আক্রমন করে বসলেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।রীতিমতো রাজ্যের সংক্রমণ বৃদ্ধির কারণ হিসেবে মোদিকে দায়ী করে এদিন মমতা তার পদত্যাগ দাবি করেন। প্রধানমন্ত্রীকে রীতিমতো অপদার্থ সম্বোধন করে মমতা বলেন,”কোনও পরিকল্পনা নেই। তুমি ছড়িয়ে বেড়াচ্ছে, আমি কি করে আটকাবো? তারপর সোশ্যাল মিডিয়ায় মিথ্যা ছড়াবে। এমন অপদার্থ প্রধানমন্ত্রী দেখিনি”।

প্রসঙ্গত কিছুদিন আগেই এক চিঠির মাধ্যমে কেন্দ্রের প্রতি অভিযোগ জানিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী।তার দাবি ছিল বাংলাকে কোনরকম ভাবেই পর্যাপ্ত টিকা সরবরাহ করেনি কেন্দ্র সরকার।বলেন,”রাজ্যে পর্যাপ্ত টিকা দেয়নি কেন্দ্র। টিকার অভাবে রাজ্যের টিকাকরণ প্রক্রিয়া ধাক্কা খেয়েছে। রেমডিসিভির-সহ একাধিক ওষুধের ঘাটতি দেখা দিয়েছে। অক্সিজেন সরবরাহও বাড়াতে হবে কেন্দ্রকে”।

তৃণমূল সুপ্রিমো তার বক্তব্যের মাধ্যমে মোদিকে উদ্দেশ্য করে বলেন,”বাইরে থেকে গাদা গাদা লোক নিয়ে আসছে। হোটেল-গেস্ট হাউস সব বুক করে বসে আছে। কোভিড নিয়ে বাইরে থেকে লোক এসেছে, এদের জন্য আগামীদিন আমাদের ভুগতে হবে। প্যান্ডেলটাও বাইরের লোককে দিয়ে করাচ্ছে। আমরা তো টেস্ট করি না, প্রধানমন্ত্রীর লোকেরা বলে। এবার প্রত্যেককে টেস্ট করা হবে,টেস্ট করে তবে বাংলায় ঢুকতে দেব।এখানে করোনা কমে গিয়েছিল। ৬ মাস কোভিড ছিল? তখন তুমি ইঞ্জেকশন কেন দিলে না? আমি বারবার বলেছিলাম, বাংলায় পাবলিককে আমি বিনাপয়সায় ই়ঞ্জেকশনটা দিতে চাই। আপনারা প্লিজ ই়ঞ্জেকশনটা আমায় দিন। কিছুতেই দিল না”।