নিউজ

“ভ্যাকসিনের আবেদন করেছি। কিন্তু এখনো হাতে পাইনি”- বললেন অরবিন্দ কেজরিওয়াল

নিজস্ব প্রতিবেদন: সারা দেশ জুড়ে প্রবল শক্তি সঞ্চয় করে আছড়ে পড়েছে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ। লাফিয়ে বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা। সারাদেশব্যাপী এক ভয়াবহ মৃত্যুর আতঙ্কের সূচনা হয়েছে। সারা দেশের মধ্যে এই মহামারীতে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে অগুনতি মানুষের। মহারাষ্ট্রের অবস্থা সবথেকে শোচনীয়। মহারাষ্ট্র এবং দিল্লিতে জারি হয়েছে সাময়িক লকডাউন। দিল্লি, পশ্চিমবঙ্গ, মহারাষ্ট্রের অবস্থা যথেষ্ট শোচনীয়। সারা জুড়ে সরকারি হাসপাতাল গুলোতে অক্সিজেন সিলিন্ডারের অপ্রতুলতা দেখা দিয়েছে। অক্সিজেনের হাহাকার দেখা দিচ্ছে বিভিন্ন হাসপাতালে।

জরুরী ভিত্তিতে হাসপাতাল গুলিতে অতিরিক্ত বেডের ব্যবস্থা করছে প্রশাসন। এক ভয়াবহ পরিস্থিতি বিরাজ করছে দেশের বুকে। সঙ্কটজনক পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে অক্সিজেনের অপ্রতুলতা কে কেন্দ্র করে। পশ্চিমবঙ্গ, দিল্লি, লক্ষ্ণৌ, মহারাষ্ট্র সহ দেশের অনেক জায়গাতেই অক্সিজেনের যোগানের অত্যন্ত সমস্যা দেখা দিয়েছে । দিল্লি, লক্ষ্ণৌ এর হাসপাতাল গুলিতে বীভৎস পরিবেশ বিরাজ করছে। রাজ্যের বেসরকারি এবং সরকারি হাসপাতালগুলো পর্যন্ত রোগী ভর্তি বন্ধ করে দিয়েছে।

আরও পড়ুন-প্রচন্ড রোদের তাপে ফাটলো মজুত করা বোমা। উড়ল তৃণমূল কর্মীর বাড়ির পাশের চালাঘর।

অক্সিজেনের জন্য ছটফট করছেন করোনা রোগীরা ।দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল হাত জোড় করে অক্সিজেনের জন্য আবেদন জানিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী এবং দেশের বড় বড় শিল্পপতিদের কাছে।আজ অরবিন্দ কেজরিওয়াল বলেছেন,”আগামীকাল ভ্যাকসিন এর জন্য আপনারা লাইন দেবেন না। তার কারণ এখনো আমাদের হাতে ভ্যাকসিন এসে পৌঁছায় নি।

যখনই ভ্যাকসিন আমাদের কাছে চলে আসবে আমরা সকলকে জানিয়ে দেব। তাই আপনাদের কাছে অনুরোধ করছি, এই কয়েকদিন ভ্যাকসিনের জন্য লাইন দেবেন না। দেশে বর্তমানে ভ্যাকসিনের যথেষ্ট অপ্রতুলতা রয়েছে। আমাদের কাছে ভ্যাকসিন আসছে না। ‌ ভ্যাকসিন উৎপাদন কোম্পানি গুলোর সাথে আমরা যোগাযোগ করছি । আশা করি আর কয়েক দিনের মধ্যেই আমাদের হাতে ভ্যাকসিন চলে আসবে।”জানা গিয়েছে আগামী শনিবার থেকে ১৮ বছর থেকে ৪৪ বছর বয়সীদের ভ্যাকসিন দেওয়ার কথা থাকলেও ভ্যাকসিন পর্যাপ্ত না থাকার কারণে দিল্লি সরকার শনিবার ভ্যাকসিন দেবে না বলে জানিয়েছে।

Related Articles

Back to top button