নিউজপলিটিক্সরাজ্য

“২২ বছর ধরে প্রতারিত হয়ে তবেই ডিভোর্সের মামলা দায়ের করেছি”- মন্তব্য শোভন চট্টোপাধ্যায়ের

নিজস্ব প্রতিবেদন: বর্তমানে বিতর্কের আরেক নাম শোভন বৈশাখী। এই যুগলে বর্তমানে বাংলার জনমানসে ব্যাপক বিতর্কের সূত্রপাত ঘটিয়েছেন। স্ত্রী রত্না চট্টোপাধ্যায় এবং তাঁর পুত্র কন্যার সাথে সমস্ত সম্পর্ক ত্যাগ করে বর্তমানে গোলপার্কের ফ্ল্যাটে বান্ধবী বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায় কে নিয়ে থাকেন শোভন চট্টোপাধ্যায়। বেহালা পূর্বের তৃণমূল বিধায়ক রত্না চট্টোপাধ্যায় জানিয়েছেন যে তিনি তাঁর স্বামী শোভন চট্টোপাধ্যায় কে কখনোই ডিভোর্স দেবেন না।

এদিকে ডিভোর্সের মামলা দায়ের করেছেন শোভন চট্টোপাধ্যায়। গত ১৭ ই মে সিবিআইয়ের হাতে গ্রেফতার হয়েছিলেন শোভন চট্টোপাধ্যায় সহ তৃণমূলের তিন হেভিওয়েট নেতা। সিবিআই গ্রেফতার করার পরেই স্বামী শোভনের পাশে দাঁড়াতে ছুটে গিয়েছিলেন রত্না চট্টোপাধ্যায়, এছাড়া শোভন অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হ‌ওয়ার সময়েও শোভনের পাশে দাঁড়াতে চেয়েছিলেন রত্না চট্টোপাধ্যায়। সকলেই রত্নার স্বামীর প্রতি কর্তব্যবোধের যথেষ্ট প্রশংসা করেছিলেন।

আরও পড়ুন-জামাইষষ্ঠীর দিনেই নতুন পরিচিতি শোভন-বৈশাখীর

কিন্তু মন গলেনি শোভন চট্টোপাধ্যায়ের। বারবার তিনি দূরে সরিয়ে দিয়েছেন স্ত্রী এবং পুত্র-কন্যাকে । শুধু তাই নয় , স্ত্রী রত্না চট্টোপাধ্যায় কেও কালিমালিপ্ত করতে চাইছেন শোভন চট্টোপাধ্যায়। বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায় বেশ কিছু ছবি আপলোড করেছিলেন সোশ্যাল মিডিয়ায়।

সেখানেই রত্না চট্টোপাধ্যায় এর সাথে একই দোলনায় বসে থাকতে দেখা গিয়েছে এক ব্যক্তিকে। শোভন চট্টোপাধ্যায় বলেছেন, “রত্নার সাথে যে ছেলেটি দোলনায় বসে রয়েছে তার নাম হলো অভিজিৎ মৈত্র ওরফে পিকলু। যখন আমি বাড়িতে থাকতাম তখন আমার এক তলার অফিসে ওরা আমার সাথে থাকত। আগে পিকলু ১৩০ নম্বর ওয়ার্ডে থাকতো এখন নাকতলায় ভাড়া থাকে।

আরও পড়ুন-শোভন-বৈশাখীকে আক্রমণ করলেন কুণাল ঘোষ। কি বললেন তিনি?

ছবিগুলো যে অবস্থায় দেখা গিয়েছে সেটা থেকে স্পষ্ট প্রমাণ হচ্ছে পিকলু এবং রত্নার মধ্যে কি সম্পর্ক রয়েছে। পিকলু এবং রত্না পার্টি বৈঠকে যাওয়ার নাম করে নিজেরাই পার্টি করতেন যেখানে অশালীন নাচ হত। যখন আমি দেখলাম যে আমি ২২ বছর ধরে প্রতারিত হয়েছি তখনই আমি ডিভোর্স এর সিদ্ধান্ত নিলাম। যখন আমি ২৪ ঘন্টা রাজনীতি নিয়ে ব্যস্ত থাকতাম তখন আমার ব্যস্ততার সুযোগে আমার সর্বনাশ করার চেষ্টা করেছে রত্না।”

Related Articles

Back to top button